মুম্বই: রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র চালু রয়েছে ভারতে। যার অন্যতম বড় প্রমাণ হচ্ছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবং গান্ধী পরিবার। যার বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরেই সরব হয়েছে বিজেপি। গত কয়েক বছর ধরে তৃণমূলের বিরুদ্ধেও এই একই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি শিবির।

কিন্তু রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের মধ্যে খারাপ কিছু দেখছেন না বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব। শুক্রবার মহারাষ্ট্রে এক জনসভায় হাজির ছিলেন তিনি। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজনীতির নিয়ে ওই মন্তব্য করেছেন তিনি। তবে কেবলমাত্র পারিবারিক পরিচ্য দিয়েই মানুষের কাজ করা যায় না বলে দাবি করেছেন রাম মাধব।

ভারতীয় রাজনীতিতে রাজবংশের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাম মাধব। তাঁর কথায়, “আমাদের দেশে রাজবংশের উত্তরসূরী হওয়াকে রাজনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ যোগ্যতা মনে করা হয়। এর মধ্যে ভুল কিছু নেই।” এরপরেই তিনি বলেছেন, “কিন্তু মানুষদের যোগ্যতার মাপকাঠিতে রাজনীতির ময়দানে আসা উচিত। কেবলমাত্র পদবী ব্যবহার করেই রাজনীতি করা ঠিক নয়।”

ওই দিনের সভায় কেন্দ্রে দ্বিতীয়বারের জন্য মোদী সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য এই জাতপাত এবং ভেদাভেদের রাজনীতি বিশেষভাবে কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন সর্বভারতীয় স্তরের এই বিজেপি নেতা। তিনি দাবি করেছেন যে গত পাঁচ বছরে এই সকল বিষয় ভারতীয় রাজনীতি থেকে মুছে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই কারণেই সপ্তদশ লকসভা নির্বাচনে এসেছে বিশেষ সাফল্য।

মুম্বইয়ের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাতপাতের রাজনীতির নিয়েও মন্তব্য করেছেন তিনি। তিনি বলছেন, “খুব সাধারণ রাজনৈতিক খেলার মাধ্যমে বিজেপি কেন্দ্রের ক্ষমতা দখল করেনি।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “জাত এবং ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ভাগ করে আমরা ফের ক্ষমতায় ফিরিনি।”

কোনও প্রকারের মেরুকরণ বা তোষণ করে বিজেপি দ্বিতীয়বারের জন্য দেশ শাসনের অধিকার পায়নি বলে দাবি করেছেন রাম মাধব। সেই সঙ্গে তাঁর আরও দাবি, “এই সকল বিষয় মুছে ফেলতে পেরেছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিয়া সরকার। সেই কারণেই দেশবাসি ফের একবার কেন্দ্রের মসনদে মোদীকেই বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”