অযোধ্যা: রাত আটটায় এক বিশেষ ঘোষণায় গোটা দেশে লকডাউন জারি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার রাত ১২ টা থেকেই জারি হয়ে গিয়েছে সেই লকডাউন। আর সেই লকডাউনের মধ্যেই ভোরবেলা অযোধ্যায় সরানো হল রামের মূর্তি।

ভোর ৪টের সময় রামের মূর্তি স্থানান্তর করতে ছুটে গেলে খোদ মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বুধবার ভোরে রাম জন্মভূমিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল রামের মূর্তি। আপাতত ওই মূর্তি সরিয়ে ফাইবার দিয়ে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়ে রাখা হয়েছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির না তৈরি হওয়া পর্যন্ত একটি অস্থায়ী আশ্রয়ে রাখা থাকবে মূর্তি। এই অনুষ্ঠানটিকে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের প্রথম পর্বের সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন যোগী।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই মন্দির নির্মাণের দিনক্ষণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য একটি সভা হওয়ার কথা ছিল। তবে এই পরিস্থিতিতে সেটা কতটা হবে, তা পরিস্কার নয়। তবে এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন অন্তত ২০ জন। ছবি ও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শহরের বহু সাধুদের সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থনা করছেন। অযোধ্যার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রধানসহ উর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

যদিও লকডাউনের আওতায় রয়েছে সব ধর্মীয় স্থান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া তালিকাতেও রয়েছে সেকথা।

সুপ্রিম কোর্ট গত বছরের নভেম্বরে রায় দিয়েছিল যে অযোধ্যাতে ওই বিতর্কিত জমি পুরোপুরি ভগবান রামের।

ঠিক হয় বিতর্কিত জমিতে মন্দিরই হবে, তবে পাঁচ বিচারকের সংবিধান বেঞ্চ রায়ে আরও জানায় যে উত্তরপ্রদেশের এই ‘পবিত্র’ শহরের একটি ‘বিশিষ্ট স্থান’ নতুন মসজিদের জন্যও বরাদ্দ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, কয়েক মাসের মধ্যেই রাম মন্দির তৈরি হবে। সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পর উত্তরপ্রদেশ সরকার অযোধ্যাতে মসজিদের জন্য নির্ধারিত জমির অবস্থান নির্ধারণ করে, যা ওই মন্দির-মসজিদ স্থান থেকে প্রায় ২৫ কিমি দূরে। উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী শ্রীকান্ত শর্মা ফেব্রুয়ারিতে বলেছিলেন, জমিটি জেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে লখনউ হাইওয়েতে অযোধ্যার ধনিপুর গ্রামে অবস্থিত।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I