প্রতীকী

কলকাতা:  এনআরসি, নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে দেশজুড়ে প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাতেও। সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে পথে নেমেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি পথে নেমেছেন প্রতিবাদে নেমেছেন কংগ্রস সহ বাম দলগুলিও। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে আজ সোমবার পথে নামে এসএফআই ছাত্র সংগঠন। প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি আগামী ৮ জানুয়ারি বনধ সমর্থন করারও দাবি জানানো হয় মিছিল থেকে।

উল্লেখ্য, আগামী ৮ জানুয়ারি বুধবার দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে বামেদের তরফে। বেসরকারিকরণ সহ একাধিক দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক বামেদের। এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদও জানানো হবে এই ধর্মঘটের মাধ্যমে। আর এজন্যে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে বামেদের তরফে। আর এই দাবিতে আজ সোমবার পথে নামে বামেদের ছাত্র সংগঠন। সভার স্লোগান, হ্যাশ ট্যাগ ছিল জনগণমন RALLY।

এই স্লোগানেই সভার ডাক দেয় বাম ছাত্র সংগঠন। এদিন দুপুরে রানি রাসমণি রোডে সভার আয়োজন করা হয়। শহরের তিন জায়গা থেকে মিছিল আসে রানি রাসমণি রোডে। অন্যদিকে এদিন এনআরসি’র প্রতিবাদে দিল্লির কন্নড় প্লেসে জন সমাবেশের ডাক দেয় বামেরা।

প্রসঙ্গত, এদিন এনআরসি’র সমর্থনে এবং বিরুদ্ধে আজ শহর কলকাতায় একের পর এক মিছিল সভা ছিল। এদিকে এনআরসি’র প্রতিবাদে বাম ছাত্র-যুবদের মিছিল ছিল। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শহর কলকাতা সহ ব্লকে ব্লকে মিছিল বার করে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। পালটা এদিন রাজপথে শক্তি দেখাল বঙ্গ বিজেপি। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সমর্থনে বিজেপির তরফে অভিনন্দন যাত্রা করা হয়। সেখানে কার্যত বাংলায় নিজেদের শক্তি দেখাল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি কার্যকরী সভাপতি জে পি নাড্ডা ছিলেন।

ফলে একের পর এক মিছিলে কার্যত থমকে পড়ে শহর কলকাতা। বিভিন্ন রাস্তায় তীব্র যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়।