মুম্বই: বিগ বস ১৪‌‌ এর সর্বশেষ ‘উইকএন্ড কা ভার’ পর্বে প্রতিযোগীরা রবিবার গ্র্যান্ড ফাইনালের জন্য প্রস্তুত হয়েছিলেন।

শনিবারের বিগ বসের ১৪-এর উইকেন্ড কা ভার পর্বের রিয়েলিটি শোতে প্রতিযোগীদের নিজস্ব যাত্রাপথ দেখানো হয়েছিল। রাহুল বৈদ্য, রুবিনা দিলাইক, নিকি তাম্বোলি, এলি গনি এবং রাখি সাওয়ান্ত- শীর্ষ পাঁচটি ফাইনালিস্ট যারা বিজয়ীর ট্রফির প্রতিযোগিতা করছেন তাদের এই ভিডিও দেখানো হয়। রুবিনাকে সবচেয়ে শক্ত মহিলা হিসাবে চিহ্নিত ও রাখিকে সবচেয়ে বিনোদনকারীর আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

গতকালের শোয়ে ভিডিওতে রুবিনা দিলাইক, রাখি সাওয়ান্ত, রাহুল বৈদ্য, নিক্কি তাম্বোলি এবং এলি গনিকে বিভিন্ন শেডে দেখা গেছে। তবে, একজন প্রতিযোগী যিনি বিগ বস দ্বারা সর্বাধিক প্রশংসা পেয়েছিলেন তিনি হলেন রাখি সাওয়ান্ত।

রাহুল কিভাবে শোতে তাঁর যাত্রা শুরু করেছিল তা দেখানো হলো সবার আগে। তাঁর এন্ট্রি থেকে শুরু করে আইজাজ খান, রুবিনা, নিক্কি তাম্বোলির সাথে লড়াই এবং নিক্কি ও অলির সাথে বহুল আলোচিত বন্ধুত্ব পর্যন্ত আমরা শো রিলের মাধ্যমে দর্শক দেখতে পেয়েছে।

এটি দেখার পরে, রাহুল আবেগতাড়িত হয়ে, বিগ বসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, “আমার অনুভূতি বর্ণনা করার মতো শব্দ নেই। আমি আফসোস করছি কেন আগে এখানে আসিনি?” পরবর্তীতে রাখিকে তাঁর যাত্রা দেখানো হয়। এই মন্তাজে দেখানো হয়, রাখির স্বামী, বিবাহ এবং বিবাহ বিচ্ছেদকে ঘিরে নানা আলোচনা। এই সময় ভেঙে পরেন রাখি।

বিগ বস তাঁর জন্য ১৪ মরসুমকে উত্সর্গ করেন এবং জানান, যে শোটি তার কারণে পরিচিত হবে। বিগ বস বলেন, যে প্রায়শই লোকেরা তাদের চরিত্র পরিবর্তন করে এবং স্টেরিওটাইপটি ভেঙে শোতে স্বাক্ষর করে।
তবে বিগ বস এই কথাটি বলতে গর্ববোধ করেন, যে যে প্রতিযোগী শোটি বিখ্যাত করেছেন তাঁর মধ্যে রাখি সাওয়ান্ত অন্যতম নাম।

রাখি সাওয়ান্ত যেভাবে ব্যক্তিগত দুঃখ সম্পর্কে না ভেবে এবং শ্রোতাদের বিনোদন দিয়েছেন তাঁর জন্য প্রশংসা করেছে বিগ বস। এরপর এলি এবং রুবিনার যাত্রা দেখানো হয়। শোতে সর্বশেষে নিকির যাত্রা দেখানো হয়। গেমের শুরুতে রুবিনা তার সম্পর্কে খারাপ কথা বলতে দেখে হতবাক হয়ে যায়। ভিডিওটির শেষে, বিগ বস রাজ কাপুরের গান ‘কেহতা হ্যা জোকার সারা জামানা আদি হকিকেত আধা ফসানা’ গেয়ে শোটি শেষ করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।