মুম্বই: বিতর্ক তৈরি হবে, আর তাতে তিনি থাকবেন না, তা আবার হয় নাকি? তিনি রাখি সাওয়ান্ত৷ ইনস্টাগ্রামে নতুন ছবি দিয়ে ফের বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বলিউডের এই ড্রামা কুইন৷ ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি পাকিস্তানি পতাকাকে দিয়ে শরীর মুড়িয়ে রেখেছেন তিনি৷

তার পরেই প্রকাশিত হয়েছে তাঁর বিতর্কিত ভিডিও৷ যাতে তিনি বলছেন একটি ফিল্মের শুট্যিং করার জন্য পাকিস্তানের পতাকা নিয়ে ছবি তুলতে হয়েছে তাঁকে৷ ধারা ৩৭০ নামক ছবিটিতে এক পাকিস্তানি মহিলার চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি৷ তাই পাকিস্তানি পতাকা গায়ে জড়িয়ে তাঁকে ছবি তুলতে হয়েছে৷ তবে ভারতকে তিনি ভালবাসেন৷

ছবি নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়েছে বিতর্ক৷ খোলামেলা পোশাকে রাখিকে পাকিস্তানি পতাকা ধরে থাকতে দেখে অনেক পাকিস্তানি নাগরিকই মুখ খুলেছে৷ ইনস্টাগ্রামে রাখির ছবির নীচে একাধিক বিদ্রুপ ভরা কমেন্ট পড়েছে৷ একজন লিখেছেন, আপনি কোনওভাবেই পাকিস্তানের সংস্কৃতি বা তার সভ্যতা সম্পর্কে জানেন না৷ তাই তার প্রতিনিধি হওয়ার চেষ্টাও করবেন না৷ ইসলাম মহিলাদের এই ধরণের পোশাক পরার অনুমতি দেয় না৷ তাই এই চরিত্রের সঙ্গে আপনি মোটেও খাপ খাচ্ছেন না৷

তার উত্তরে রাখির জবাব, আপনার যদি এই ফিল্ম নিয়ে সমস্যা থাকে, তাহলে আমার ইনস্টাগ্রাম থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন৷

এর আগেও, একাধিকবার নানা বিতর্কে জড়িয়েছেন কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন রাখি৷ গত বছরই পাবলিসিটির চক্করে নিজেকেই ঘায়েল করে বসেন মিস সাওয়ান্ত৷

হরিয়ানার, পঞ্চকুলায় Continental Wrestling Entertainment (CWE) match -এ অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন তিনি৷ তবে কোনও ইভেন্টে উপস্থিত থেকেও নিঃশব্দে বেরিয়ে আসার মানুষ তিনি নন৷ কিছু একটা গণ্ডগোল তিনি বাধাবেনই৷ সেখানে যেতেই এক মহিলা কুস্তিগিরকে চ্যালেঞ্জ করে বসলেন তিনি৷

চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন যে রাখি তাকে রিং থেকে নক আউট করতে পারেন৷ রাখির চ্যালেঞ্জ অ্যাকসেপ্ট করেন তিনি৷ রিংয়ে দু’জনের উপস্থিতিতে ঘটে যায় বড়ো অঘটন৷ নিমেষের মধ্যে রাখিকে কাঁধে তুলে নেন সেই মহিলা৷ কাঁধে রাখিকে নিয়ে একবার পাক খেয়ে আছাড় মারলেন মাটিতে৷

সেই আছাড় খাওয়ার পর দর্শকমহল ভেবেছিলেন তিনি উঠে দাঁড়াবেন৷ তেমন কিছুই হয়নি৷ মিনিটখানেক মাটিতে শুয়েই কাতরাতে শুরু করেন রাখি৷ যদিও তৎক্ষণাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন৷ রেসলিংয়ের ভিডিওটি দেখে নেটিজেন দাবি করেছেন রাখির সবটাই নাটক৷ মার খাওয়া থেকে শুরু করে কাতড়ানো, হাসপাতালে যাওয়া৷ লাইমলাইটে থাকার জন্য রাখি সব করতে পারেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।