দেবময় ঘোষ, কলকাতা: জরুরি অবস্থা ভারতবর্ষের একটি কলঙ্কিত অধ্যায়৷ এই বিষয়ে বক্তব্য রাখতে ২৬ জুন কলকাতায় আসছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর৷ ওইদিনই জরুরি অবস্থার ঘটনার ৪৩ বছর সম্পূর্ণ হচ্ছে৷ দেশের প্রত্যেকটি রাজ্যে বিজেপি নেতা মন্ত্রীরা কংগ্রেস আমলের ওই কলঙ্কিত অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করতে পৌঁছে যাবেন৷

কলকাতার মহেশ্বরী সদনে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে বক্তব্য রাখবেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ এই অনুষ্ঠানের বহ্যবস্থাপনায় রয়েছেন রাজ্য বিজেপির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রতাপবাবু জরুরি অবস্থার সময় রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে গ্রেফতার হয়েছিলেন৷ তিনি জানান, ‘‘ওই সময় আমার বয়স ছিল মাত্র ১৬৷ কলকাতায় সঙ্ঘের কাজকর্ম দেখাশোনা করতাম৷ জয়পুরিয়া কলেজে কমার্স নিয়ে প্রথমবর্ষে ভরতি হয়েছিলাম’’৷

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২৫ জুন, ১৯৭৫ থেকে ২১ মার্চ, ১৯৭৭ এই ২১ মাস জরুরি অবস্থা স্বাধীন ভারতের একটি বিতর্কিত অধ্যায়৷ প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলের এই জরুরি অবস্থা পরবর্তীকালে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল৷ সেই সময়ের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ৷ চল্লিশ বছর পর এসে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি জরুরি অবস্থাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়েছে৷ বিজেপির নেতারা বলছেন, ওই সময়ে কংগ্রেস সরকার কোনও নির্বাচন করেনি৷

দেশের মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা ছিলনা৷ সংবাদ মাধ্যমেরও কন্ঠরোধ করা হয়৷ কংগ্রেস তবে আর কোন মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে৷ বিজেপি নেতারা আরও বলছেন সেই সময়ে অটল বিহারী বাজপেয়ি, লালকৃষ্ণ আডবানীর মত নেতৃত্ব গ্রেফতার হয়েছিলেন৷ সমাজবিদ নেতা শ্যামনন্দন মিশ্র মধুডন্ডবতেও গ্রেফতার হয়েছিলেন৷ অন্যতম প্রতিবাদের জায়গা হয়ে উঠেছিল তখনকার ব্যাঙ্গালোর৷