ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, পুরুলিয়া: বিজেপি নেতাদের যেন চক্ষুশূল হয়ে উঠেছে রাজ্যের পুলিশ। গেরুয়া শিবিরের নেতারা নিয়ম করে এখন পুলিশকে হুমকি দিচ্ছেন। এবার পুলিশকে দিয়ে জুতো চাটাবার মতোও হুমকি দিলেন বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়।

বুধবার মানবাজারের মিছিল ছিল বিজেপির। এই মিছিলের স্লোগান ছিল ‘পরিবর্তনের লক্ষ্যে মহামিছিল’। সেখানে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এক শ্রেণির পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন। তাঁদের আর থানায় রেখে কী লাভ! তাঁদের থানা থেকে তুলে জুতো চাটাব। যত বড়ই অফিসার হোক না কেন। আর ছ’মাস পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করা হবে।”

শোলে সিনেমার ডায়লগ অনুকরণ করে ওই বিজেপি নেতা বলেন, “পুলিশ আর গুন্ডা তেরা কেয়া হোগা কালিয়া?

খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ উঠতে বসতে পুলিশকে হুমকি দেন। কদিন আগেই তিনি বলেছেন, একমাস পর দিদির পুলিশের দাঁত ভাঙবেন অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, পুলিশের মুখে প্রস্রাব করে দেওয়ার মতও কু-কথা বলেছেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও পুলিশকে তাঁদের অশোক স্তম্ভের চিহ্ন সরিয়ে হাওয়াই চটির ছবি লাগানো টুপি পরতে বলেছিলেন।এছাড়াও সায়ন্তন বসু, অগ্নিমিত্রা পল প্রায় দিনই আক্রমণ করছেন পুলিশকে।

পুরুলিয়ায় রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশকে হুমকির কড়া নিন্দা করেছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের শিক্ষা–সংস্কৃতি–তথ্য–ক্রীড়া স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ গুরুপদ টুডু। তিনি বলেন, “মানবাজার তৃণমূলের গড়। এখানকার মানুষজন ঘাস ফুল ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কিছু বোঝেন না। ফলে বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে কু’কথা বলে কিছু লাভ হবে না। সাধারণ মানুষ সবই জানেন, সবই দেখছেন।”

উল্লেখ্য, গত লোকসভা ভোটে একমাত্র মানবাজার বিধানসভাতেই বিজেপি লিড নিতে পারেনি বিজেপি। তাই পুরুলিয়া জেলা বিজেপি এবার বিধানসভা ভোটে মানবাজারকে ‘পাখির চোখ’ করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।