নয়াদিল্লি : স্নায়ুর যুদ্ধ চলছে। টানটান উত্তেজনা ভারত চিন সীমান্তে। চিনের চোখে চোখ রেখে জবাব দিচ্ছে ভারতও। এই পরিস্থিতিতে মানসিক দিক থেকে জওয়ানদের চাঙ্গা করতে লাদাখ পরিদর্শন করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শুক্রবার লাদাখ যাচ্ছেন তিনি বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর।

কী পরিস্থিতি এখন লাদাখ জুড়ে, ভারতীয় সেনার অবস্থান কী, চিনা আগ্রাসন কতদূর এগোতে পারে, সেসব খতিয়ে দেখতেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী লাদাখ যাচ্ছেন বলে খবর। এদিন তাঁর সঙ্গে থাকবেন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে। শুক্রবার তাঁরা সেনার নর্দার্ণ কমান্ডের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সাথে বৈঠকে বসতে পারেন। লাদাখে কোথায় কোথা. সেনা মোতায়েন রয়েছেন, তার বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে পারেন।
মন্ত্রক সূত্রে খবর, মে মাস থেকে লাদাখে উত্তাপ ছড়ালেও এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রী লাদাখ পরিদর্শন করছেন। এছাড়াও এদিন লেহ হাসপাতাল ঘুরে দেখার কথা রয়েছে রাজনাথের। ১৫ই জুনের ভারত চিন সংঘর্ষে যেসব জওয়ান আহত হয়েছেন বলে খবর মিলেছিল, তাঁদের দেখতে লেহ হাসপাতালে যাবেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২৩শে জুন লাদাখ পরিদর্শন করেন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানে। জানা যায় লেহতে ১৪ কর্পসের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। কর্পস কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। লাদাখে দুদিনের সফরে যান নারাভানে। গালওয়ান ভ্যালিতে ১৫ই জুনের সংঘর্ষে আহত জওয়ানদের সাথে দেখা করেন। লাদাখের পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন সেনাপ্রধান। কেন দুদেশের বারবার বৈঠকেও কোনও ঐক্যমত্য মিলছে না, তা যাচাই করে দেখেন নারাভানে। ফেরার পথে শ্রীনগরে ১৫ কর্পসের সাথেও দেখা করেন সেনাপ্রধান।

এদিকে, পয়লা জুলাই ১২ ঘন্টা ধরে চলা ভারত চিন বৈঠকে মিলল না কোনও সমাধানসূত্র। তৃতীয়বারের জন্য কর্পস কম্যান্ডার স্তরে বৈঠক করে ভারত-চিন। সীমান্ত সংঘর্ষে একের পর এক আলোচনা বেশ অনেকটা নজরকাড়া হলেও তা বিশেষ ফলপ্রসূ হয়নি। উলটে চাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

জানা যায়, এই বৈঠক ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে এবং রাত ১১টার পরে তা শেষ হয়। পরিস্থিতিতে চাপানউতোর এতটাই বেশি যে, সীমান্তে দুই দেশই সেনা চিন ক্রমশ নিজের শক্তি প্রদর্শন করতে ভেতরের দিকে ঘাঁটি তৈরি করতে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ফিংগার-৪-এর ভেতরে স্থায়ীভাবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে চিন। ভারতকে চাপে রাখতে এক-এক ধাপ এগিয়ে আসছে চিন।

ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, প্যাংগং লেকে তিন কিলোমিটার পিছু হটা কিছুতেই সম্ভব নয় কারণ তাহলে ফিংগার-৪ থেকে সরে আসতে হবে। এই ফিংগার-৪ সবসময় ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ভারত ফিংগার-৮-এ লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC) দাবি করে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ