নয়াদিল্লি: রাশিয়া থেকে মিসাইল সিস্টেম কেনার বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের কথাবার্তা চলছে বেশ কিছুদিন ধরে। এবার চিনের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়ায় গেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, তাঁর এই রাশিয়া সফর যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রতিবছর ২৪ জুন ‘Victory Day Parade’ হয় মস্কোয়। ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতেই মূলত রাজনাথের রাশিয়াযাত্রা। সেখানে আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীও।

সোমবারই তিনদিনের সফরে রাশিয়া উড়ে গিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শোনা যাচ্ছে, এই সফরেই রাশিয়াকে মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম দ্রুত দেওয়ার কথা বলবে ভারত। ২০১৮ সালের অক্টোবরে মস্কোর সঙ্গে ৫৪৩ কোটি মার্কিন ডলারের চুক্তি করেছিল দিল্লি।

গত ফেব্রুয়ারিতে ‘ফেডারেল সার্ভিস অফ মিলিটারি টেকনিক্যাল কার্পোরেশন অফ রাশিয়া’র ডেপুটি ডিরেক্টর ভ্লাদিমির দ্রঝভ জানিয়েছিলেন, ২০২১ সালের মধ্যেই প্রথম এস-৪০০ সিস্টেম হাতে পাবে ভারত। তবে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নাকি তার আগেই তা ভারতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হবে রাশিয়াকে। একইসঙ্গে ফাইটার জেট (Su-30 ও Mig-29), নৌসেনার জন্য যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন এবং টি-৯০ যুদ্ধ ট্যাঙ্কেরও দ্রুত সরবরাহের দাবি জানানো হবে। এতেই স্পষ্ট, যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তিন বাহিনীকেই তৈরি রাখতে চাইছে ভারত।

মাটি থেকে বায়ুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই এস-৪০০ রাশিয়ার সবচেয়ে উন্নত সিস্টেমগুলির মধ্যে একটা বলে মনে করা হয়।

ইতিমধ্যেই সেনার তিন বাহিনীকেই ৫০০ কোটি টাকা প্রতি প্রকল্পে অস্ত্র কেনার ছাড়পত্র দিয়েছে মোদি সরকার। যাতে ভবিষ্যতে যে কোনও ধরনের সংঘাতে আরও বেশি করে তেরি থাকতে পারে ভারত।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, এক উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, তিন বাহিনী ভাইস চিফদের এই ৫০০ কোটি টাকার অস্ত্র কেনার অনুমোদন দেওয়া হবয়েছে। যে যে ক্ষেত্রে অভাব রয়েছে, তা পূরণ করার জন্য এই অস্ত্র কেনার কথা বলা হয়েছে।

এর আগে উরি হামলা এবং বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের পরও এরকমই আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল ভারতীয় সেনাকে। সেইসময় প্রচুর অস্ত্র কেনা হয়। যার মধ্যে ছিল স্পাইস ২০০০ মিসাইল, স্ট্রাম আটক গ্রাউন্ড মিসাইল সহ একাধিক অস্ত্র। ইজরায়েল থেকে কেনা হয়েছিল স্পাইস অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল।

রবিবার সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সেনাবাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার কথা বলেছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ