কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সংবাদ শিরোনামে কদিন ধরে শুধুই নুসরত জাহান। তিনি যে গর্ভবতী এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে শুধু টলিউড ইন্ডাস্ট্রি যে চমক পেয়েছে এমন নয়, সঙ্গে চমক পেয়েছেন তাঁর স্বামীও। এই খবর জানার পর নিখিল জৈন বলেন, গত ছয় মাস ধরে তারা আলাদা থাকেন তাদের কোনও যোগাযোগ নেই। ফলে এই বাচ্চাটা কার তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন।

এরপর আরও এক বিস্ফোরক মন্তব্য শোনা যায নুসরতের মুখে। তিনি দাবি করেন, তাঁদের বিয়ে বৈধ নয়। ফলে বিচ্ছেদের কোনও প্রশ্নই নেই। তাঁর মতে, নুসরত-নিখিলের বিয়ে হয়েছিল তুরস্ককে। তুরস্কের বিবাহ আইন অনুসারে এই অনুষ্ঠান অবৈধ। উপরন্তু, হিন্দু-মুসমান বিবাহের ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন অনুসারে বিয়ে করা উচিত তা এক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়নি। তাই আইনের চোখে এই বিয়ে বৈধ নয়। এক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেন কথা আসে না।

এ তো গেল নুসরতের বিয়ের কথা। এখন আসল বিতর্ক তাঁর অনাগত বাচ্চা নিয়ে। নুসরতের বাচ্চার পিতৃপরিচয় কী জানতে সকলেই উদগ্রীব। নুসরত যে গর্ভবতী এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সমস্ত মানুষের মনেই এই একটাই প্রশ্ন। অনেকে আবার সন্দেহ প্রকাশ করেন এই খবর নিয়ে। অনেকেই বলেন, নুসরত মিথ্যা বলছে। কিন্তু, তিনি যে মিথ্যা বলেননি তা প্রমান মিলল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি, প্রকাশ্যে এসেছে একটি ছবি। যেখানে নুসরত, তনুশ্রী ও শ্রাবন্তীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছেন নুসরত। নুসরতের পরনে সাদা টিউনিক। আর এই ছবিতে স্পষ্ট তাঁর বেবি বাম্প। সম্প্রতি, আনন্দবাজার পত্রিকার ডিজিটালে প্রকাশিত হয়েছে এই ছবি। ছবির সত্যতা যদিও কলকাতা 24×7 যাচাই করেনি। তবে, আনন্দবাজার ডিজিটালের খবর অনুসারে, এই ছবিটি প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী রাজকুমার গুপ্তা।

নুসরত, শ্রাবন্তী আর তনুশ্রীর বন্ধুত্বের কথা সকলেই জানেন। তাঁরা যে মাঝে মধ্যেই আড্ডা দেন তাও সকলেরই জানা। এই ছবিটি এমনই এক মুহূর্তের ছবি। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছিলেন ব্যবসায়ী রাজকুমার গুপ্তা। কিন্তু, ছবি ভাইরাল হতেই তিনি তা ডিলিট করে দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.