কলকাতা : সারদাকাণ্ডে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার তথা সিআইডি এডিজি রাজীব কুমারের সাময়িক স্বস্তি ।সু্প্রিম কোর্টে পিছিয়ে গেল রাজীব কুমারের জামিন মামলার শুনানি। বলা যায় ফের ধাক্কা খেল সিবিআই। আজ সোমবার রাজীব মামলার শুনানি ছিল শীর্ষ আদালতে । কিন্তু আদালত এই মামলার শুনানি ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত মুলতবি রাখল।

কলকাতা হাইকোর্টের আইপিএস রাজীব কুমারের আগাম জামিনের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিল সিবিআই। গত ১ অক্টোবর সিবিআইয়ের আবেদন খারিজ করে রাজীব কুমারের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ৷ সিবিআইয়ের তরফে রাজীব কুমারকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করার আর্জি জানানো হয়েছিল৷

বিচারপতি শহিদুল্লাহ মুন্সি ও বিচারপতি শুভাশিস দাশগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ তাদের রায়ে জানিয়েছিল, সারদা চিট ফান্ড মামলায় তদন্তের স্বার্থে রাজীব কুমার যথাযথ সহযোগিতা করেছিলেন। তাই এই ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে তোলা অসহযোগিতার অভিযোগ গ্রাহ্য হয় না৷ এরপরেই কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করে রাজীব কুমারের জামিন বাতিলের আর্জি জানায় সিবিআই৷ পুজোর ছুটি শুরু হওয়ার ঠিক আগের দিন শীর্ষ আদালতে দায়ের হয় এই মামলা, এই মামলারই আজ শুনানি ছিল শীর্ষ আদালতে৷

উল্লেখ্য, এর আগেও রাজীব কুমার সারদা ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থার কেলেঙ্কারির তদন্তে সহযোগিতা করেননি বলে একাধিকবার সিবিআইয়ের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে৷ রাজীব কুমার নিজে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট-এর প্রধান থাকাকালীন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেছিল সিবিআই৷ রাজীব অবশ্য প্রতিবারই এই অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছেন৷ সিবিআইয়ের তরফে করা তদন্তে তিনি কী ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন, সেই প্রমাণও বিভিন্ন আদালতে তুলে ধরেছিলেন রাজীব৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.