কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন রাজীব কুমার। তা সত্বেও তাঁর দেখা মেলেনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে থেকে দুই জামিনদারের মাধ্যমে আগাম জামিন নিশ্চিত করতে হবে তাঁকে। তাই সেখানে তিনি এদিন আসেন কিনা, সেদিকে সবার নজর রয়েছে।

শুক্রবার থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত আদালত বন্ধ। তাই এদিনই বৃহস্পতিবার আগাম জামিন নিশ্চিত না-করালে লক্ষ্মীপুজোর পরে তা করতে হবে। এর মধ্যে হয়ত রাজীব কুমার কাজেও যোগ দিতে পারবেন।

এদিকে, রাজীবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির জন্য যে আবেদন সিবিআই নিম্ন আদালতে করেছিল, সেটি তাঁকে আগাম জামিন পেতে সাহায্য করেছে বলে মত আইনজীবীদের। কারণ, গত আগাম জামিন মঞ্জুর করার সময়ে হাইকোর্টের দুই বিচারপতি বলেন, রাজীবকে এত দিন ধরে সাক্ষী হিসেবে ডেকে পাঠাচ্ছিল সিবিআই। আচমকাই ১৭ সেপ্টেম্বর নিম্ন আদালতে তাঁর নামে পরোয়ানা জারির আবেদন জানানো হয়।

অন্যদিকে, এবার সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ ইতিমধ্যে দিল্লিতে আদালতের সমস্ত কপি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বার আটঘাঁট বেঁধেই আসরে নামতে চাইছেন সিবিআই আধিকারিকরা৷ তৈরি করা হচ্ছে যাবতীয় নথি৷ রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে একের পর এক তথ্য সাজিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাকে মজবুত করাই লক্ষ্য সিবিআইয়ের৷ শর্তসাপক্ষে তাঁর আগাম জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট। ৫০ হাজার টাকা করে দুটো ব্যক্তিগত বন্ডে ওই আইপিএস আধিকারিকের জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, সবদিক খতিয়ে দেখে মনে করা হচ্ছে, রাজীব কুমারকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই৷ তাই তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা হল।

তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাক পেলে রাজীব কুমারকে হাজিরা দিতে হবে বলে রায়ে স্পষ্ট জানিয়েছে বিচারপতি সইদুল্লা মুন্সি ও শুভাশিস দাশগুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। তবে হাজিরার জন্য রাজীব কুমারকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিতে হবে বলে সিবিআইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও