কলকাতা:  ডিভিশন বেঞ্চে পিছিয়ে গেল রাজীব মামলার শুনানি। আগামীকাল বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সইদুল্লা মনসীর এজলাসে মামলার শুনানি ছিল। শুনানিতে মামলাটি গ্রাহ্য করা হলেও আদালত আজ তা শুনতে নারাজ ছিল। আগামীকাল বুধবার ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে। অন্যদিকে, আজই সিবিআইয়ের তরফে রাজীবের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

ইতিমধ্যে রাজীব কুমারের উপর দিয়ে উঠে গিয়েছে রক্ষাকবচ। আলিপুর আদালত প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। আদালত তার নির্দেশে জানিয়ে দেয় যে, গ্রেফতারি পরোয়ানার কোনও প্রয়োজন নেই। সিবিআই তাঁর ক্ষমতা বলেই রাজীব কুমারকে গ্রেফতার করতে পারেন।

এরপর থেকে রাজীব কুমারকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্যে কার্যত রণকৌশল সাজাতে থাকে। প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারের খোঁজ পেতে দিল্লি থেকে স্পেশাল টিম। প্রায় ১০ দিনেরও বেশি সময় কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত খোঁজ নেই রাজীবের। মেঘনাথের ভূমিকা থেকে আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন তিনি। একের পর এক আদালতের দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু সব জায়গাতেই এখনও পর্যন্ত ধাক্কা খেয়েছেন।

এই অবস্থায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজীব কুমার। আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছেন। এদিন সিবিআই এর আইনজীবী বলেন, সারদার মূল অফিস ছিল বিধাননগরে। রাজীব কুমার ছিলেন বিধাননগরের কমিশনার। রাজীবের নাকের ডগাতেই এতবড় প্রতারণা হয়। সমস্তকিছু জানতেন।

কিন্তু প্রভাবশালীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছেন বলে রাজীবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন সিবিআই আইনজীবী। এমনকি সিবিআইয়ের আইনজীবী অভিযোগ করেন, তদন্তে বিধাননগর পুলিস কোনও সহযোগিতা করেনি। দেবযানীর দুটি ডায়েরি দেওয়া হয়নি। বারবার নোটিস দিলেও রাজীব আসছেন না। এর মধ্যেই আগামীকাল বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে। আদালতে কি হয়,সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিকমহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।