রেল অবরোধ করল তৃণমূল। রিষড়ায় অবোরধ। রাত ৯ টার পর থেকে টানা অবরোধ তৃণমূল কর্মীদের। বন্ধ হাওড়া মেইন লাইনের ট্রেন চলাচল। সমস্যয় যাত্রীরা।

ধর্মতলায় ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়েছেন তৃণমূলের সমস্ত নেতা-মন্ত্রীর। নেত্রীর নির্দেশে ধর্মতলায় লক্ষাধিক তৃণমূল কর্মীদের ভিড়।

সিজিও কমপ্লেস থেকে পুলিশকে সরিয়ে দিল রাজ্য প্রশাসন। শেক্সপিয়র সরণি থানা থেকে সিবিআইয়ের একটি দলকে ছেড়ে দেওয়া হল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা। 

কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল সিবিআই।

সিবিআইয়ের সমস্ত অফিস কার্যত সিল করে দিল পুলিশ। নিজাম প্যালসও ঘিরে ফেলল কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ চাইতে পারে সিবিআই। 

কলকাতা পুলিশের কমিশনারের বাড়ির সামনে ব্যারিকেড করে ঘিরে দেওয়া হল। কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকদেরও। কার্যত সিল করে দেওয়া হয়েছে গোটা চত্বর। শেক্সপিয়র সরনি থানা কার্যত দুর্গে পরিণত করে দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে রাজীব কুমারের বাড়িতে বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বৈঠকে উপস্থিত কলকাতা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা।

কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়ির সামনে ছবি।

চরমে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত! কলকাতা পুলিশের সিপির বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হল সিবিআই আধিকারিকদের। সিবিআই অফিসারদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শেক্সপিয়র থানায়। বন্ধ করে দেওয়া হল শেক্সপিয়র সরণির থানার মূল গেট। 

শেক্সপিয়র থানাতে সিবিআইয়ের ফুল টিম। একের পর এক কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পৌঁছছেন থানায়।

সিবিআই কমপ্লেক্সে রাজ্য পুলিশের বিশাল পুলিশ বাহিনী। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছেন রাজ্য পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সেই সিবিআইয়ের সদর দফতর। যাতে কোনও সিবিআই আধিকারিক না বের হতে পারেন সেজন্যেই এই সিদ্ধান্ত। 

পড়ুন আরও- BreakingNews: কলকাতা পুলিশ কমিশনারের বাড়িতে সিবিআই

চিটফান্ড কাণ্ডে এর আগে চারবার তলব করা হয় কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। সিপির উত্তর সন্তোষজনকচ ছিল না বলে দাবি সিবিআইয়ের। সারদা-কান্ডে ধৃত দেবযানি মুখোপাধ্যায় থেকে সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পারেন ঘটনার পর মিডল্যান্ড পার্কের অফিস থেকে একটি লাল ডায়েরি এবং পেন ড্রাইভ অভিযানের সময় বাজেয়াপ্ত করেন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। সিবিআইয়ের দাবি তদন্তবার হস্তান্তরের সময় সেই ডায়েরি এবং পেন ড্রাইভ পাননি। কোথায় গেল সেগুলি? তদন্তে সিবিআই। এইবিষয়ে সিপি সঠিক উত্তর দিতে পারবে বলে মনে করছে সিবিআই।

কমিশনারের বাড়ির সামনে প্রকাশ্যে কলকাতা পুলিশের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াল সিবিআই।

বিকেলেই কলকাতা পুলিশের তরফে দাবি করা হয়, রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের খবর ভুয়ো। যারা এই খবর ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন জাভেদ শামিম। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়ির সামনে পৌঁছে গেলেন সিবিআই অফিসাররা।