ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের এডিজি সিআইডি রাজীব কুমারকে খোঁজে পাচ্ছে না সিবিআই । তার অবস্থান নিয়ে জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজ্য প্রশাসনকে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ছুটিতে থাকা রাজীব কুমারের ঠিকানা জানিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। এমনটাই সূত্রের খবর।

নিয়ম অনুযায়ী কোনও উচ্চ পদস্থ অফিসার ছুটিতে গেলে, রাজ্য সরকারকে তার অবস্থান জানাতে হয়। সেই তথ্য হাতে পেতে সিবিআই একাধিক বার রাজ্য প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছেন। ১৩ দিন আগে আদালত রাজীব কুমার এর উপর থেকে রক্ষা কবজ তুলে নিয়েছে। তারপরই প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার তথা এডিজি সিআইডি রাজীব কুমার আত্মগোপন করেন। তার খোঁজ শুরু করে সিবিআই। পার্ক স্ট্রিটে তার সরকারি বাসভবনে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

এছাড়া শহর ও শহরতলিতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। কিন্তু আজ পর্যন্ত সিবিআই তাকে কোথাও খুঁজে পায়নি। সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে সিবিআই-এর চিঠির উত্তরে রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছে, ছুটির আবেদনে রাজীব কুমার তার ঠিকানা হিসেবে ৩৪ নম্বর পার্কস্ট্রিটকে উল্লেখ করেছেন। যদিও সেখানে সিবিআই বার বার হানা দিয়ে তা কোনও হদিস পায়নি।

প্রসঙ্গত আদালতের রায়ের পরই সিবিআই রাজ্যের মুখ্য সচিব মলয় দে, স্বরাষ্ট্র সচিব অালাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে জানতে চায়, রাজীব কুমার কত দিনের ছুটিতে রয়েছেন ? এবং ছুটি নিয়ে তিনি কোথায় রয়েছেন ? কোন ফোন নম্বর ব্যবহার করছেন? তাছাড়া এডিজি সিআইডি রাজীব কুমারের ছুটি নিয়ে দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি।

সিবিআইয়ের চিঠির জবাবে রাজ্য প্রশাসন জানিয়েছিল, রাজীব কুমার ৯ তারিখ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন। সেই অনুযায়ী বুধবারই তার ছুটি শেষ হচ্ছে। এবং বৃহস্পতিবার তাঁর কাজে যোগ দেওয়ার কথা। এখন দেখার বিষয়, রাজীব কুমার কি বৃহস্পতিবার কাজে যোগ দিচ্ছেন? না আত্মগোপন করেই থাকবেন। যদিও রোজভ্যালি কান্ডে রাজীব কুমারকে নোটিস দেওয়া পর সে সিবিআই কে মেইল করে জানিয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটিতে রয়েছেন । সুতরাং ওই তারিখ পর্যন্ত তাকে সময় দেওয়া হউক ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।