ওয়াশিংটন: আমেরিকার সঙ্গে সামরিক গাঁটছড়া বাঁধতে চেয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। ফের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল সিআইএ রিপোর্টে। গত বছরে ভারত সংক্রান্ত বেশ কিছু গোপ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সিইআএ। ১১ পাতার সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বলা হয়েছে, ভারতের বিদেশনীতিকে অন্য পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন রাজীব গান্ধী। তাঁর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশের সফর থেকেই তা স্পষ্ট। ১৯৮৫-র মে থেকে এই দফর করেছিলেন তিনি। অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণও ছিলেন তিনি। রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

আরও পড়ুন: ‘রাশিয়ার গুপ্তচর সংস্থাই সোনিয়াকে ভারতে পাঠিয়েছিল’: বিস্ফোরক দাবি প্রাক্তন IB কর্তার

২০১৬-র ডিসেম্বরে সিআইএ ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘রাজীব গান্ধী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে ভারত অর্থনৈতিক এবং বিশেষ করে প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে তৈরি।’ ১৯৮৫-র ১ অগাস্টের একটি রিপোর্ট বলছে, রাজীব গান্ধী বিদেশ সফরে নতুন কূটনীতি তৈরি করতে চেয়েছিলেন তিনি। প্রথমেই তিনি চেয়েছিলেন, আবেগপ্রবণ না হয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো মেটানো। এইভাবে আমেরিকা ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি চেয়েছিলেন। পাশাপাশি, শ্রীলঙ্কায় এলটিটিই জঙ্গি সমস্যার সমাধান করেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন রাজীব। যার জেরে আত্মঘাতী হামলায় তাঁকে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন: রাম জন্মের আগেই ভারতীয় রাজনীতির রামায়ণ লিখেছিল সিআইএ

আরও জানা যায় যে বিদেশ সফরের সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি মিডিয়ায় সহজ হচ্ছিলেন রাজীব। এমনকি মার্কিন ও রাশিয়ান মিডিয়া অনেক প্যাঁচালো প্রশ্নের উত্তরও দিতে দেখা গিয়েছিল রাজীব গান্ধীকে। তিনি আত্মবিশ্বাসীও হয়ে উঠেছিলেন। ইন্দিরা গান্ধীর মত আমেরিকা বিমুখ ছিলেন না তিনি। প্যারিস ও ওয়াশিংটনে প্রযুক্তি, কৃষিকাজ, ওষুধ সংক্রান্ত বিষয়ে চুক্তিও করেন রাজীব গান্ধী। আমেরিকা থেকে অস্ত্রও কিনেছিলেন গান্ধী।

আরও পড়ুন: কেনেডি হত্যার পিছনে কি সিআইএ-ই ছিল? চরের চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV