স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: কৃষি বিলের প্রতিবাদে তৃণমূলের জোড়া মিছিল হল হাওড়া শহরে। আর দুটি মিছিলকে ঘিরে হাওড়ার দুই মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের কোন্দল ফের কার্যত রাস্তায় নেমে এল।

শহর হাওড়ার জেলা সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্ল রবিবার দাসনগর থেকে ময়দান পর্যন্ত মিছিল ডেকেছিলেন। লক্ষ্মীর ডাকা মিছিলে ছিলেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য মিছিলটি ছিল মন্দিরতলা থেকে মল্লিকফটক পর্যন্ত। যার মূল উদ্যোক্তা মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।

অরূপের ডাকা মিছিল সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই মিছিল জেলা সভাপতি ডেকেছেন। এটাই অরিজিনাল। যদি কেউ পাল্টা মিছিল করেন তাহলে দলের শৃঙ্খলা থাকে বলে আমি মনে করি না!”

এবিষয়ে অরূপ রায় বলেন, “কালকে যে রাজনীতি করতে এল, তার কথার কী জবাব দেব!” দুটি মিছিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এই কর্মসূচি ১৯ তারিখে সিডিউল করা। এই মিছিল আগে থেকেই আগে থেকেই স্থির ছিল। কৃষি বিল অর্ডিন্যান্স করার সঙ্গে সঙ্গে এই মিছিল করার জন্য মধ্য হাওড়া সভাপতিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। আজ সেই মিছিল হয়েছে। এটা মধ্য হাওড়ার মিছিল।”

কয়েকমাস আগেই রাজীব-অরূপ কোন্দল তীব্র হয়েছিল। দুর্নীতি ইস্যুতে ব্লক স্তরের নেতাকে সাসপেন্ড করা নিয়ে অরূপের বিরুদ্ধে রাজীব বলেছিলেন, “চুনোপুঁটিদের সাসপেন্ড করে বোয়াল, রুই, কাতলাদের যেন আড়াল না করা হয়।” পাল্টা তোপ দেগেছিলেন তৎকালীন সদর হাওড়ার সভাপতিও।

যদিও একুশে জুলাইয়ের ৪৮ ঘণ্টার মাথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সাংগঠনিক রদবদল করেন তাতে দেখা যায় অরূপ রায়কে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে সভাপতি করা হয়েছে লক্ষ্মীরতন শুক্লকে।

তবে এদিন দুটি মিছিলেই কেন্দ্রীয় বিরোধিতার সুর চড়ানো হয়েছে। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, লক্ষ্মীরতন শুক্লা, অরূপ রায় প্রত্যেকেই একযোগে বলেছেন, ” এই বিল কৃষক স্বার্থবিরোধী বিলটি। মোদী সরকার কৃষকদের সংজ্ঞা পাল্টে দিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।