হাওড়াঃ  দক্ষতা ও যোগ্যতাকে মাপকাঠি করে খুব ছোট এবং শক্তপোক্ত তৃণমূল জেলা কমিটি গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল হাওড়ায়। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে জেলা সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লার উপস্থিতিতে এমনটাই জানালেন দলের কো-অর্ডিনেটর মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

জেলা সদর সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মঙ্গলবারই প্রথম দলের সাংসদ, বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। জেলা সদর কার্য্যালয়ে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়া, ব্রজমোহন মজুমদার,গুলশন মল্লিক প্রমুখ। বৈঠকে গরহাজির ছিলেন মন্ত্রী তথা দলের চেয়ারম্যান অরূপ রায়, বিধায়ক জটু লাহিড়ী।

বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গত ২৩ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নেন হাওড়া জেলার নতুন সভাপতি লক্ষ্মীরতন শুক্লা। পুরনো সভাপতি অরূপ রায় হলেন চেয়ারম্যান আর আমি ডিস্ট্রিক্ট কোর্ডিনেটর যেমন ছিলাম আছি। সবাই জানেন নতুন জেলা তৈরি হলে পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন করে কমিটি তৈরি করতে হয়। তাতে যেমন পুরনো কর্মীরাও থাকবেন তেমন নতুন কর্মীরাও যুক্ত হবেন।

আজ সাংসদ বিধায়কদের নিয়ে সবার মতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যখন এই কমিটি তৈরি হবে তখন জানিয়ে দেওয়া হবে।পাশাপাশি সিদ্ধান্ত হয় আগামী সপ্তাহ থেকে প্রতিটি ব্লকে ব্লকে গিয়ে বৈঠক করা হবে। কোথায় কি দুর্বলতা আছে, সেখানে কি করণীয় তা নেতৃত্ব দেখবে। নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করতে চালু হবে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ।”

বুধবার অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাসের জন্য এখানে লকডাউন মানা হবে না। বিজেপির এই হুমকি সম্পর্কে রাজীববাবু বলেন, “ধর্মকে সামনে রেখে, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে ওরা রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। যার জবাব আগামী দিনে বাংলার মানুষ দেবেন।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে আগামী বুধবার তথা ৫ আগস্ট। এদিনই ঐতিহাসিক অয্যোধায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস হবে। আর যা নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক-বিরোধী জোর তরজা। একদিকে উওরপ্রদেশের প্রশাসনিক কর্তাদের দম ফেলার ফুসরত নেই তখন বাংলায় রামের ভক্তির যে শক্তি তা পরিবর্তন আনবেই বলে জানান বাংলার বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

দিলীপ ঘোষ বলেন, “২০২১ সালে রাজ্যের পরিবর্তন সময়ের অপেক্ষা । ওরা লকডাউনের তারিখ নিয়ে রাজনীতি করছে। এই লকডাউন উদ্দেশ্যহীন অযৌক্তিক বলে মনে করেন দিলীপ ঘোষ।

শুধু তাই নয়, দিলীপবাবুর দাবি, শুধুমাত্র তোষণের রাজনীতি করতে সমাজের একটা অংশকে খুশি করতে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন লকডাউন ঘোষণা করেছে তৃণমূল সরকার। তবে তাতে আমাদের কিছু যাবে আসবে না বলেই মনে করেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা