কলকাতাঃ  রয়েছে রাজনৈতিক সংঘাত! একাধিকবার প্রকাশ্যে নাম না করে অরূপ রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। পালটা আক্রমণ শানিয়ছেন অরূপ রায়ও। দুজনের সংঘাতের বিষয়টি কার্যত সবাই জানেন।

এই অবস্থায় রাজনৈতিক জল্পনা উস্কে অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে গেলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। গত কয়েকদিন আগেই মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। এই সাক্ষাৎ কি শুধুই সৌজন্যমূলক নাকি এর পিছনে গভীর কোনও কারণ রয়েছে? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

যদিও হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এর মধ্যে রাজনীতি খুঁজবেন না। উনি আমার নেত। ওনাকে সম্মান জানাই। তবে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরুন উনি। এটাই আমরা চাই। তবে তাঁর উপর কোনও চাপ রয়েছে কিনা সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রত্যেক রাজনীতিবিদদের উপর বিভিন্ন চাপ থাকে। ওনার উপরেও ছিল হয়তো! তবে দ্রুত অরূপবাবুর সুস্থতার কামনা করেছেন তৃণমূলের এই বিধায়ক।

এদিন সকালে রাজীববাবুর আগেই অসুস্থ অরূপ রায়কে দেখতে আসেন রাজ্যপাল ধনকড়। দীর্ঘক্ষণ হাসপাতালে থাকেন। কথা বলেন ডাক্তারদের সঙ্গে। এমনকি অরূপবাবুর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন রাজ্যপাল। সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে রাজ্যপাল জানান, ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলে আমি খুশি। ঠিক পথে তাঁর চিকিৎসা করা হচ্ছে। এমনকি অরূপবাবুর সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, অরূপ রায়কে দেখতে আসা প্রসঙ্গে রাজ্যপাল জানিয়েছেন, উনিও একজন আইনজীবী। আমিও আইনজীবী। সেখান থেকেই এই সাক্ষাৎ!

প্রসঙ্গত, রবিবার ভোরে আচমকাই শ্বাসকষ্ট এবং বুকে ব্যাথা অনুভব করেন। হঠাত এই অবস্থায় কোনও রিস্ক নিতে চাননি মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি ভরতি করা হয় উডল্যান্ডস হাসপাতালে। প্রাথমিক পরীক্ষার পরই তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

তবে, অরূপ রায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, শনিবার থেকেই অসুস্থতা বোধ করছিলেন তিনি। যদিও হাসপাতালে ভরতি করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু, রবিবার ভোরে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। বুকে ক্রমশ ব্যাথা বাড়তে থাকে। আর সেই কারণে কয়েকদিন হাসপাতালে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন ডাক্তাররা।

পরিবার সূত্রে খবর, চিকিৎসকরা মন্ত্রীকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁকে বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাঁর বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষানীরিক্ষা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।