স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: বিস্ফোরক মন্তব্যের পর নাম না করে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য অরূপ রায়।

শনিবার দক্ষিণ কলকাতার একটি ‘অরাজনৈতিক’ কর্মসূচিতে গিয়ে, দল সম্পর্কে উষ্মা প্রকাশ করেছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ‘‘স্তাবকতা করতে পারলে নম্বর বেশি। ভালকে খারাপ, খারাপকে ভাল বলতে পারি না তাই আমার নম্বর কম।’’

রাজীব এও বলেছেন, ‘‘যারা দুর্নীতিগ্রস্ত তারা স্তাবক বলে সামনের সারিতে। যখন মানুষ ভাল কাজ করতে আসে, তখন পিছন থেকে টেনে ধরে।’’

তাঁর আক্ষেপ, “যারা মাঠেঘাটে কাজ করে, তারা প্রাধান্য পায় না। যারা ঠান্ডা ঘরে বসে থাকে তারাই এখন নেতৃত্বের সামনের সারিতে।ক্ষমতালোভীরা জায়গা পাচ্ছে দলে।”

রবিবার অরূপ রায় এপ্রসঙ্গে বলেন, “চোরের মায়ের বড় গলা। যারা যত বেশি ব্ল্যাকমেলার। ব্ল্যাকমেল করে বড় পদ পাওয়া। ভাঙা কাঁসির আওয়াজ বেশি বলে না। যাদের পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত দু্র্নীতিতে ভরা তারা বেশি চিৎকার করে। তাতে কিছু যায় আসবে না। যোগ্যতার থেকে অনেক বেশি তাকে দিয়েছে দল।”

অরূপ আরও বলেন, “দলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন। তাঁরা কাজ করছেন নিঃস্বার্থভাবে। তাঁরা মন্ত্রীও নন, বিধায়কও নন। কিন্তু একজন দলের জন্য কিছু ত্যাগ না করে শুধু নিতে এসেছেন, তাঁদের মুখে এসব কথা শোভা পায় না।” যদিও অরূপ রায় তাঁর মন্তব্যের মাঝে একবার বনমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করেননি।

প্রসঙ্গত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের মধ্যে সম্পর্ক যে ভাল নয়, সেটা দল জানে।কয়েকমাস আগেই রাজীব-অরূপ কোন্দল তীব্র হয়েছিল।

দুর্নীতি ইস্যুতে ব্লক স্তরের নেতাকে সাসপেন্ড করা নিয়ে অরূপের বিরুদ্ধে রাজীব বলেছিলেন, “চুনোপুঁটিদের সাসপেন্ড করে বোয়াল, রুই, কাতলাদের যেন আড়াল না করা হয়।” পাল্টা তোপ দেগেছিলেন তৎকালীন সদর হাওড়ার সভাপতি অরূপ রায়ও।বলেছিলেন, “বাইরে নয়, অভিযোগ থাকলে দলের মধ্যে বলুন।”

এদিনও বেসুরো রাজীবকে আক্রমণ শানালেন অরূপ। যার ফলে তৃণমূলে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হল। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সমালোচনায় মুখর হওয়ার পরদিনই পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে গিয়েছে।

রাজীবকে ‘কাজের মানুষ, কাছের মানুষ’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেই পোস্টারে। একেবারে শুভেন্দু অধিকারীর স্টাইলেই রাজীবের অনুগামীরা পথে নেমেছেন। পোস্টার দিয়ে রাজীবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন তাঁরা।

তৃণমূল নেতাদের দল ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে এদিন অরূপ রায় বলেন, “তৃণমূল হল জনসমুদ্র। সমুদ্রের জল কোনওদিন কমে না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।