মুম্বই : বলিউডের সুপারস্টার রাজেশ খান্নার জন্মদিন আজ। ‌ রুপালি পর্দার এই নায়ক একসময় রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন। হয়েছিলেন সাংসদ। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক রাজেশ খান্নার অজানা কথা।

১) রাজেশ খান্নার প্রকৃত নাম ছিল যতীন খান্না। ১৯৪২ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাঁর জন্ম। ছবির নায়ক হিসেবেই তার পরিচিতি হলেও তিনি ছবিও প্রযোজনা করেছেন। তিনি মোট ১৬৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ১৭টি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিতে অভিনয় করেছেন।

২) ১৯৬৫ সালে ফিল্মফেয়ার এবং ইউনাইটেড প্রডিউসারস এর উদ্যোগে করা ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

৩) রাজেশ খান্না হলেন প্রথম বলিউড অভিনেতা যার নামের আগে সুপারস্টার শব্দটি বসেছিল। আরাধনা ছবির সাফল্যের ফলে সমালোচকরা প্রথম তাকে ভারতীয় সিনেমা সুপারস্টার আখ্যা দিয়েছিল।

৪) অভিনেত্রী অঞ্জু মহেন্দ্রর সঙ্গে রাজেশ খান্নার প্রায় সাত বছর ধরে সম্পর্ক ছিল কিন্তু তা পরে ভেঙে যায়। এর কিছুদিন বাদে তিনি ডিম্পল কাপাডিয়াকে বিয়ে করেন।

৫) রাজেশ খান্না ডিম্পল কাপাডিয়াকে বিয়ে করেছিলেন তাঁর প্রথম ছবি ববি মুক্তি পাওয়ার কয়েক মাস আগে।

৬) তাঁর সঙ্গে ডিম্পল কাপাডিয়ার বিয়ের আগে রাজেশ খান্না একটি বিলাসবহুল বাংলো কিনেছিলেন অভিনেতা রাজেন্দ্র কুমারের কাছ থেকে। তখন সেই বাংলোটির নাম ছিল ডিম্পল, পরে অবশ্য ওই বাড়ির কিছু সংস্কার করে নতুন নাম দেওয়া হয় আশীর্বাদ। ওই বাড়িটি জুবিলি কুমারের জন্য দুর্ভাগ্যের হলেও রাজেশ খান্নার জন্য তা হয়নি। রাজেশ খান্নার টানা ১৫ টি হিট ছবি দিয়েছিল যেটা যে কোনো অভিনেতার জন্যই একটা রেকর্ড স্বরূপ।

৭) একজন স্ট্রাগলিং অভিনেতা হিসেবে রাজেশ খান্না একসময় তার কাজের জন্য যাতায়াত করতেন‌ এমজি স্পোর্টস কার নিয়ে।

৮) রাজেশ খান্না অভিনেত্রী মমতাজের সঙ্গে কাজ করেছেন তা প্রায় ১০০ শতাংশই সফল। এই জুটি আটটি ব্লকবাস্টার ছবি দিয়েছে। অন্যদিকে রাজেশ খান্নার সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছবির নায়িকা হলেন হেমা মালিনী। নায়ক রাজেশ খান্নার বিপরীতে হেমা মালিনী নায়িকা এমন ছবির সংখ্যা ১৫টি।

৯) সাতের দশকে রাজেশ খান্না বলিউডের‌ সর্বাধিক পারিশ্রমিক নেওয়া অভিনেতা ছিলেন । তারপর সেই জায়গাটা নিয়ে নেন অমিতাভ বচ্চন।

১০) বলিউডে রাজেশ খান্নার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু হলেন গায়ক কিশোর কুমার এবং সুরকার রাহুল দেব বর্মন। রাজেশ খান্নার বহু হিট ছবির সঙ্গী এই দুই কলাকার।

১১) পরিচালক শেখর কাপুর মিস্টার ইন্ডিয়া ছবিতে অভিনয় করার জন্য প্রথমে রাজেশ খান্নাকে অফার করেছিলেন। কিন্তু ছবিতে ওইরকম অদৃশ্য হয়ে যাবে নায়ক ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি ফলে তিনি রাজি হননি। তখন ওই চরিত্রটি অভিনয় করার জন্য পরিচালক অনিল কাপুরকে বেছে নেন।

১৩) গুরু কুর্তা পোশাকটি বিখ্যাত করে দেন রাজেশ খান্না।

১৪) আরাধনা ছবিতে রুপ তেরা মাস্তানা গানটিতে রাজেশ খান্না শর্মিলা ঠাকুরকে দেখা যায়, যা ইতিহাস হয়ে যায় , এটি প্রথম সিঙ্গল টেক সং।

১৫) রাজীব গান্ধীর অনুরোধে তিনি ১৯৮৪ সালে কংগ্রেসের হয়ে প্রচারে নামেন। ১৯৯১ সালে তিনি ভোটে দাঁড়িয়ে লালকৃষ্ণ আদবানির কাছে হেরে যান মাত্র ১৫৮৯ ভোটে। তখন তিনি ওই ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ করেছিলেন। ১৯৯২ সালে লালকৃষ্ণ আদবানি ওই কেন্দ্রের সাংসদ হিসেবে পদত্যাগ করার পর উপনির্বাচন হলে তিনি যেতেন। উপনির্বাচনে রাজেশ খান্না তার প্রতিদ্বন্দ্বী অপর এক অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহাকে ২৫,০০০ ভোটে পরাজিত করেন।১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সাংসদ থাকলেও তারপর রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান।

১৬) ২০১২ সালের ১৮ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে পদ্মভূষণ খেতাব দেওয়া হয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।