কলকাতা- প্রযুক্তির উন্নতির ফলে সারা বিশ্ব এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। কোনও কিছুই এখন অসম্ভব নয়। এমনই এক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন সুভাষ মুখোপাধ্যায়। তাঁকে মানুষ টেস্ট টিউব বেবির জনক বলেই চেনে। কিন্তু সেই তাঁকে কেন আত্মহত্যা করতে হয়েছিল। সেইসব তথ্যই উঠে এসেছে পরিচালক রাজীব সরকারের তথ্যচিত্র ব্লাড স্টেনস নেভার ফেড-এ।

“আজ যখন বাঙালিদের পক্ষে সর্বত্র প্রায় গৃহযুদ্ধের সূচনা, সেখানে বাঙালীরাই একজন বাঙালিকে কীভাবে এবং কতটা তীব্রভাবে আক্রমণ করে মেরেছিলেন তার জ্বলন্তনিদর্শন এই তথ্যচিত্র।” বলছেন পরিচালক রাজীব সরকার।

পরিচালক আরও বলেন, “এই তথ্যচিত্রে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুর্যকান্ত মিশ্র, তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য সুখেন্দুশেখর রায়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় বারাসাত গভঃ কলেজের উপাচার্য বাসব চৌধুরী, ডাঃ বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী, ডাঃ গৌতম খাস্তগির, কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, ডাঃ সুদর্শন সেন, দুর্গা ওরফে কানুপ্রিয়া ও তার বাবা প্রভাত আগরবাল নিজে। তথ্যচিত্রে প্রচুর দুস্প্রাপ্য ভিডিও এবং ছবি ব্যবহৃত হয়েছে যা চিত্র পরিচালক নিজে খুঁজে বের করেছেন।”

সুভাষ মুখোপাধ্য়ায়কে নিয়ে এর আগেও ছবি হয়েছে। ১৯৯০ সালে তপন সিনহা পরিচালনা করেছিলেন এক ডক্টর কি মৌত-এর। সেই ছবিতে সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন পঙ্কজ কাপুর।

১৯৭৮ সালে সুভাষ মুখোপাধ্য়ায়ের উদ্যোগেই দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবি জন্ম নিয়েছিল। পুজোর সময়ে জন্ম হয়েছিল সেই টেস্ট টিউব বেবি কানুপ্রিয়া আগরওয়ালের। তাই তাঁর নাম রাখা হয়েছিল দুর্গা। এখন তাঁর বয়স ৪০। রাজীব সরকারের তথ্যচিত্রে উঠে আসবে সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে এমনই সব না জানা কথা।