জয়পুর: হাইকোর্টের রায়ের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করে দিলেন রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষ সিপি যোশি। সচিন পাইলট-সহ ১৯ বিধায়কের পদ খারিজ মামলায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষ।

বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষ সিপি যোশি জানান, হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করতে চলেছেন তিনি।

রাজস্থানের গেলহট সরকার বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানায় রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষকে। সচিন পাইলট-সহ তাঁর অনুগামী বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজস্থান কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা মহেশ যোশি।

সচিন পাইলট-সহ তাঁর অনুগামী বিধায়কদের এরপর শোকজ করেছিলেন রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার সিপি যোশী। নোটিসে পাইলটদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কেন তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজ হবে না? পরবর্তী ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন সচিন পাইলট।

মঙ্গলবার রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষ সিপি যোশির বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে সচিন-শিবিরকে স্বস্তি দেয় হাইকোর্ট। ২৪ জুলাই মামলার রায়দান না হওয়া পর্যন্ত বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে মঙ্গলবার রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের সেই নির্দেশের পর বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজস্থান বিধানসভার অধ্যক্ষ সিপি যোশি। তিনি জানান, হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করতে চলেছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।