জয়পুর: দেশজুড়ে করোনা মহামারির জেরে সংকটময় পরিস্থিতি, বাদ নেই রাজস্থানও। এর জেরেই উৎসবের মরসুমে বাজি পটকা বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করল রাজস্থান সরকার।

রবিবার করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট জানান, এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে মানুষের জীবন রক্ষা করা সরকারের প্রথম কাজ। পাশাপাশি তিনি জানান, সরকার ১৬ নভেম্বর অবধি রাজ্যের স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন – ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে লাদাখে সেনার জন্য শীতবস্ত্র কিনছে ভারত

উল্লেখ্য, এদিন রাজ্য সরকারের “নো মাস্ক-নো এন্ট্রি” এবং “ওয়ার ফর দ্য পিওর” অভিযান এবং করোনা ভাইরাস সঙ্কটের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করছিলেন গেহলট।

রাজ্যজুড়ে আতশবাজি বিক্রির ওপর কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজস্থান সরকার। এছাড়া দূষণ বিধি না মানা নানান যানবাহনের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যই এ ধরনের পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন – কোয়ারেন্টাইনে হু প্রধান, বিশ্বে করোনা সংক্রামিত ৪ কোটি ৬৮ লাখের বেশি

রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী জানান, এরকম পরিস্থিতিতে দীপাবলিতে মানুষের আতশবাজি ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিৎ।

উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় অবশ্য এই কালীপূজায় বাজি পোড়াতে নিষেধ করে একটি প্রচার চলছে বেশ কিছুদিন ধরেই। বলা হচ্ছে বাজির জেরে হওয়া বায়ুদূষণে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে পারেন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I