জয়পুর : দিন যত যাচ্ছে ততই উদ্বেগ বাড়িয়ে দেশজুড়ে বইছে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ। মারণ এই অদৃশ্য ব্যাধির থাবায় পর্যদ্যস্তু জনজীবন। সংক্রমণ ঠেকাতে ফের লকডাউনের পথে হাঁটবে কি-না দেশ তা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে এক চোরাশঙ্কা। এরই মাঝে করোনা সংক্রমণ রুখতে ভোটের মিটিং, মিছিল , র‍্যালি এবং বিভিন্ন জনসভা বন্ধের জন্য আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একটি টুইট বার্তায় এই অনুরোধ জানিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট।

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী নিজের টুইটার পেজে দেশ তথা বিভিন্ন রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি বিহার ইলেকশনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভোটের মিটিং মিছিলে জমায়েত না হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। বাইরে বেরোনোর সময় সাধারণ মানুষকে কঠোরভাবে কোভিড প্রোটোকল মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এদিন তিনি টুইটারে আরও লেখেন,” ইলেকশন কমিশন এবং রাজ্যগুলি বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। যেভাবে হু-হু করে করোনা বাড়ছে তাতে ভোট সংক্ষিপ্ত হওয়ায় ভালো। তবে এই বিষয়ে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট যা বলবে তাই-ই হবে।”

এছাড়াও বেশকিছু রাজ্যে যেভাবে দাপট দেখাচ্ছে করোনা তাতে পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে নিয়মিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে চলা এবং আলাপ আলোচনার জন্যও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে রাজস্থানে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩,৯৫,৩০৯। গত চব্বিশ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭,৩৫৯ জন। যা একদিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩১ জন। এই নিয়ে রাজস্থানে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ছুঁয়েছে ৩,০৭২।

প্রসঙ্গত, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রবিবার লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। প্রথমবার মাস্ক ছাড়া ধরা পড়লে জরিমানা দিতে হবে ১০০০ টাকা এবং দ্বিতীয়বার মাস্ক ছাড়া ধরা পড়লেই এই অঙ্কটা বেড়ে দাঁড়াবে ১০ হাজার টাকা।শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া যাবতীয় পরিষেবা বন্ধ থাকবে।মহারাষ্ট্রে ১৫ ই এপ্রিল থেকে কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।দিল্লিতে সপ্তাহান্তে কারফিউ জারি করেছেন। শনি ও রবিবার রাত ১০ থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জারি থাকবে কারফিউ । পাশাপাশি, বন্ধ করে দেওয়া হবে স্পা, জিম, শপিং মল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.