মুম্বই: মতাদর্শগতভাবে কোনও পার্থক্য নেই বিজেপি এবং এআইএমআইএম-র। একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ এই দুই রাজনৈতিক দল। এমনই দাবি করেছে মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার প্রধান রাজ ঠাকরে।

আলোচিত দুই রাজনৈতিক দল নিজেদের পরস্পরকে পরস্পরের বিরোধী বলেই দাবি করে। বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্র সরকারকে আক্রমণ করে থাকে এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। বিজেপির প্রায় সকল নেতা নিত্যদিন আক্রমণ করে হায়দরাবাদের সাংসদকে।

এই দুই রাজনৈতিক দলকেই আক্রমণ করেছেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার প্রধান রাজ ঠাকরে। কিন্তু এই দুই রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য এক এবং তা হল হিংসা। মহারাষ্টের রাজধানী শহরে এক জনপ্সভায় দাঁড়িয়ে রাজ ঠাকরে বলেন, “এই মুহূর্তে বর্তমান সরকারের আলোচনা করার মতো কিছু বিষয় নেই। সেই কারণে হিন্দু এবং মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ ছড়াচ্ছে।”

রাজ ঠাকরে

লোকসভা ভোটের আগে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের ইস্যু। অনেক হিন্দুত্ববাদি সংগঠন অযোধ্যায় গিয়ে সভা করেছে। তাদের পালটা আক্রমণ করেছে আসাদুদ্দিন এবং আকবরুদ্দিন ওয়াইসি। আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আন্দোলন করাকে আক্রমণ করেছেন ওয়াইসি ভাইয়েরা।

এই বিষয়ে রাজ ঠাকরে বলেছেন যে এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি এবং কেন্দ্র সরকার রাম মন্দির নিয়ে মারাত্মক খেলা শুরু করেছে। যার কারণে খুব বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ ঘটে যেতে পারে।

অযোধ্যায় কী রাম মন্দির নির্মাণ হওয়া উচিত? এই বিষয়ে রাজ ঠাকরে বলেছেন, “রাম মন্দির অবশ্যই হওয়া উচিত। কিন্তু নির্বাচনের আগে হোক তা চাইছি না। রাম মন্দির নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। নির্বাচনের পরে রাম মন্দির হলেও আমার কোনও আপত্তি নেই।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.