মুম্বই: একসঙ্গে ১১ বছর কাটিয়ে ফেললেন অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টি এবং শিল্পপতি রাজ কুন্দ্রা। আজ তাদের ১১ তম বিবাহ বার্ষিকী। ২০০৯ সালে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন শিল্পা ও রাজ। এরপরে দুই সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন এই তারকা জুটি। ছেলে বিয়ান রাজ কুন্দ্রার বয়স এখন ৮। আর মেয়ে সমিশা শেট্টি কুন্দ্রা শিল্পা ও রাজের সংসারে নতুন সদস্য।

তবে জানেন কি শিল্পার সঙ্গে প্রথম যখন রাজের দেখা হয়েছিল তখন তিনি জানতেন না, এর আগে রাজের একবার বিয়ে হয়েছে। এবং প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। শিল্পা এক সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন যে, রাজেশ সঙ্গে যখন তার বিয়ের কথা শুরু হয়েছে তখন তিনি এই প্রথম বিয়ের বিষয়ে জানতে পারেন। বিষয়টি জেনে বেশ খারাপ লেগেছিল তাঁর।

সংবাদমাধ্যমের কাছে শিল্পা বলছেন, “চার মাস পরে, রাজ আমায় ওর ব্যাচপ্যাডে থাকতে বলে। কারণ তখন আমি প্রায়ই লন্ডনে যাতায়াত করতাম। আমি ওর ব্যাচেলর প্যাড দেখে বেশ অবাক হই। পরে আমি জানতে পারি যে ওর বিবাহ বিচ্ছেদ এর প্রক্রিয়া চলছে।”

শিল্পাকে নাকি নানারকম দামি উপহার দিয়ে রাজ মুগ্ধ করতে চেয়ে ছিলেন। কিন্তু এই বিষয়টি মোটেই পছন্দ ছিল না অভিনেত্রীর। কারণ ততদিনে দুজনের মধ্যে খুব ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল। বন্ধুত্বটা নষ্ট হয়ে যাক সেটা কিছুতেই চাইতেন না তিনি।

শিল্পা বলছেন, “ভার্সাচির ব্যাগ দিয়ে ও আমায় মুগ্ধ করার চেষ্টা করত। এমনকী, ও আমায় একই স্টাইলের বিভিন্ন রং এর ব্যাগ দিয়েছিল। আমি অবাক হয়েছিলাম। ও তখন অনবরত নানা রকমের ইঙ্গিত দিত। কিন্তু আমি তখন ওকে এসব বন্ধ করতে বলেছিলাম কারণ আমি বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাইনি। এছাড়াও আমি পাকাপাকিভাবে কখনোই লন্ডনে থাকতে চাইনি। কিন্তু সেই সময় আমি বিয়ে করার জন্য রীতিমতো পাগল হয়ে উঠেছিলাম।”

কিন্তু পরে সেই দুজনের রাস্তা এক জায়গায় মিলে যায়। বন্ধুত্ব পরিণত হয় পরিণয়ে। আর এভাবেই ১১টা বছর কাটিয়ে ফেলেছেন শিল্পা ও রাজ। এ বছরই শিল্পা সমিশার জন্ম দিয়েছেন সারোগেসির মাধ্যমে। নেহা ধুপিয়ার চ্যাট শোয়ে আরো একবার মাতৃত্বের অনুভূতি শেয়ার করে ছিলেন অভিনেত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I