কলকাতা: অবশেষে ১১ জুন থেকে শুরু হল টলি পাড়ার শ্যুটিং। প্রযোজক, চ্যানেলের সঙ্গে আর্টিস্ট ফোরামের বহু বাকবিতণ্ডার পরে কাজ শুরু করলেন শিল্পীরা। যথাযথ নিয়মবিধি ও কড়া সতর্কতা বজায় রেখেই শ্যুটিং শুরু হয়েছে। পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর প্রোডাকশনের ধারাবাহিক কপালকুণ্ডলার শ্যুটিংও শুরু হয়েছে।

শ্যুটিং সেট থেকে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করেছে রাজ চক্রবর্তী এন্টারটেনমেন্ট-এর ফেসবুক পেজ। ক্যাপশনে লেখা, আমরা এমন একটা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করি যেখানে কলাকুশলীরা ভীষণ দক্ষ, যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেদের বেস্ট দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে আমরা কত ভালো কাজ করতে পারি । এর থেকে ভালো কিছু হতে পারে না। তাই ধন্যবাদ জানাই সকল টেকনিশান, আর্টিস্ট, WATP, Broadcaster, EIMPA কে যে এরকম একটা পরিস্থিতিতেও আমরা সবকিছুকে পরাস্ত করে, সব নিয়ম মেনে আজ থেকে শুটিং শুরু করলাম। খুব গর্ব বোধ করছি সবার জন্যে। Thank you so much

কপালকুণ্ডলার সেট থেকে বেশ কিছু ছবিও পোস্টে শেয়ার করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, অভিনেতা ছাড়া প্রত্যেকের মুখে মাস্ক ও ফেস শিল্ড। এছাড়াও কারও হাতে রয়েছে গ্লাভস। শট দেওয়ার আগে ও পরে অভিনেতারা মাস্ক পরছে। এমনকি মেক আপ রুমেও অভিনেত্রীকে দেখা যাচ্ছে মাস্ক পরা অবস্থায়। অর্থাৎ অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তা বজায় রেখে যে সমস্ত কাজ হচ্ছে তা বোঝাই যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণ এড়াতে নতুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হয়েছে শ্যুটিং। তার মধ্যে অন্যতম হল, ৩৫ জনের বেশি সেটে কেউ কোনও ভাবেই উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এছাড়াও, শ্যুটিং চলাকালীন সমস্ত কলাকুশলীকে মাস্ক ও ফেস শিল্ড পড়তে হবে। অভিনেতাদেরও শট দেওয়ার মাঝের অংশগুলিতে মাস্ক পরে থাকতে হবে। মেকআপ রুমে মেকআপ আর্টিস্ট ও হেয়ার ড্রেসার সহ মোট চারজন থাকতে পারবেন। মেক আপের ঘর আয়তনে হতে হবে ১০ ফুট বাই ১২ ফুট।

শুটিংয়ের সময়ও যাতে অভিনেতাদের মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব থাকে সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে। শিল্পীর সঙ্গে যারা সরাসরি কাজ করেন যেমন মেকআপম্যান, হেয়ার ড্রেসার এঁরা অবশ্যই মাস্ক, ফেস শিল্ড এবং হাতে গ্লাভস পড়বেন। প্রত্যেক ঘন্টায় ৫ মিনিটের জন্য একটি করে ব্রেক দেওয়া হবে। তখন কলাকুশলী এবং অভিনেতা প্রত্যেককেই হাত ধুতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।