প্রতীতি ঘোষ, ব্যারাকপুর : উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের ৭ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে এই শিল্পাঞ্চলে এবার ৫ টি বিধানসভা আসনেই নতুন মুখ তৃণমূল কংগ্রেসের। ব্যারাকপুর বিধানসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হলেন টলিউড বাংলা সিনেমার পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যারাকপুর কেন্দ্রের তারকা প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেছেন । রাজ চক্রবর্তী প্রার্থী হওয়ার পরেই তৃণমূল কর্মীদের উৎসাহ চোখে পড়েছে।

সাধারণ ভোটারদের সকলেই চাইছেন শুধু চমকের রাজনীতি নয়। মাঠে নেমে আম জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়তে হবে রাজ চক্রবর্তীকে, আম জনতার পাশে থাকতে হবে তাকে।

রাজ চক্রবর্তী সিনেমার জগতের মানুষ । ব্যারাকপুরের মত মাটিতে তার লড়াইটা যে খুব একটা সহজ হবে না, তা বিলক্ষণ জানেন তিনি। এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির পক্ষে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা মৃত বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লার বাবা চন্দ্র মনি শুক্লার । এছাড়াও জোটের প্রার্থীও লড়ছেন এই কেন্দ্রে।

মণীশ শুক্লার খুনের ঘটনা ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের অন্যতম প্রধান ইস্যু । সে ক্ষেত্রে তৃণমূলের ভোটের ইস্যু উন্নয়ন । এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সেলিব্রিটি রাজ চক্রবর্তী কতটা মানুষের সঙ্গে মিশে ভোটারদের মন জয় করতে পারবে ? প্রশ্ন থাকছে।

ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্র ছাড়া বাকি ৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে পুরনো মুখ হিসেবে নৈহাটি থেকে ভোটে লড়ছেন পার্থ ভৌমিক এবং নোয়াপাড়া কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়াই করছেন মঞ্জু বসু । বাকি বীজপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন সুবোধ অধিকারী, ভাটপাড়া কেন্দ্র থেকে জিতেন্দ্র সাউ, জগদ্দল থেকে সোমনাথ শ্যাম এবং আমডাঙায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে টিকিট দেওয়া হয়েছে মুস্তাক মোর্তজাকে। আমডাঙা কেন্দ্র থেকে এবার তৃণমূল টিকিট দেয়নি ২ বারের বিধায়ক রফিকার রহমানকে।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “দল যাকে ভালো মনে করেছে প্রার্থী করেছে । তাছাড়া নতুনদের জায়গা ছেড়ে দিতে হবে । আমার ও সময় হলে আমি সরে দাড়াব । নতুন পুরনো মিলে ব্যালেন্স প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে । দলের কর্মীরা এই প্রার্থী তালিকা দেখে সকলেই খুব খুশি ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।