ছবি: প্রতীকী

স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: সমান তালে বেড়ে চলেছে গঙ্গা, ফুলহার, মহানন্দার জল৷ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ির পর এবার মালদহেও দেখা দিয়েছে বন্যার আশঙ্কা৷ বছরখানেক আগে এই সময় ভয়ঙ্কর বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল মালদহের বিস্তীর্ণ এলাকা৷ ফি বছর ঘুরতেই নদীতে জল বাড়ায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই জেলার প্রধান তিনটি নদী গঙ্গা, ফুলহার ও মহানন্দা নদীতে জল বাড়তে শুরু করেছে৷

মালদহের রতুয়া-১ ব্লকের মহানন্দা টোলা ও বিলাইমারি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় নদীর জল ঢুকতে শুরু করেছে৷ অন্যদিকে ফুলহারের জলও ঢুকছে বিভিন্ন এলাকায়৷ ফলে আতঙ্কে ভুগছেন নদীপাড়ের মানুষ। প্রতিবছর বন্যা হলেও তাদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয় না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর৷

আরও পড়ুন: আইসিসি ব়্যাংকিংয়ে ‘থার্ড বয়’ রাহুল

অভিযোগ, দিনের পর দিন, বছরের পর বছর বন্যা ও ভাঙনের ভ্রুকুটি সহ্য করেই দিন গুজরান করতে হয়৷ এবছরও একইরকম পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কায় তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে৷ এদিকে গ্রামপঞ্চায়েতগুলি তেমন আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন না বলে দাবি৷ গ্রামপঞ্চায়েতের বরাদ্দ অর্থ কম থাকায় তাঁরা বন্যা ও ভাঙন প্লাবিতদের পাশে দাঁড়াতে পারেন না তা স্বীকার করে নিয়েছেন এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। ফলে আবার সেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে বলে দিন গুনছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য দ্বিজেন মণ্ডল জানান, ‘‘প্রতিবছর আমাদের এই এলাকার মানুষ বন্যায় প্লাবিত হন৷ কিন্তু আমরা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে যে টাকা পাই তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে সমস্ত মানুষকে সাহায্য করাও সম্ভব হয়নি। আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি৷ কিন্তু কাজের কাজ হয়নি৷ ফলে বঞ্চিত হন মানুষ।’’

আরও পড়ুন: বেসরকারি হাসপাতালে এবার বিনা মূল্যে চিকিৎসা

মালদহ জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সহ সভাধিপতি গৌড়চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। আমরা পুনর্বাসন-সহ সমস্তটা জেলা প্রশাসনকে জানিয়েছি। কীভাবে এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়ানো যায় তার চিন্তাভাবনা করছি৷’’