নয়াদিল্লি: যেভাবে শেয়ারবাজার উঠেছে তাতে নতুন আইপিও আনার উপযুক্ত সময় বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা। এর ফলে মার্চ মাসে বেশ কয়েকটি সংস্থা লাইন দিয়ে রয়েছে তাদের শেয়ার বাজারে ছাড়া বা ইনিশিয়াল পাবলিক অফার (আইপিও) করানোর জন্য। শেয়ার বাজারে ওঠা নামা থাকলেও মোটের উপর এখন সেনসেক্সের অবস্থান ৫০হাজার পয়েন্টের আশে পাশে রয়েছে।

একদল সেকেন্ডারি মার্কেট থেকে টাকা তুলে সমৃদ্ধি লাভ করতে চাইছে। তাদের মধ্যে রয়েছে-এম টি এ আর টেকনোলজিস, কল্যান জুয়েলার্স ইন্ডিয়া, পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন, অনুপম রসায়ন, লক্ষী অর্গানিক ইন্ডাস্ট্রিজ, সূর্যোদয় স্মল ফিনান্স ব্যাংক, ক্রাফটসমেন অটোমেশন, বারবিকিউ নেশন হসপিটালিটি, নাজরা টেকনোলজিস, আধার হাউসিং ফিনান্স এবং ইন্ডিয়া পেস্টিসাইড ।

যারা এই মাসেই  সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (সেবি) এর কাছ থেকে অনুমতি পেয়েছে আইপিও পরিকল্পনার ব্যাপারে তাদের মধ্যে রয়েছে-এমটিএআর টেকনোলজিস, ট্রিপ ‌ প্লানারস, এপিজে সুরিন্দার পার্ক হোটেলস, লক্ষী অর্গানিক ইন্ডাস্ট্রিজ, সূর্যোদয় স্মল ফিনান্স ব্যাংক, ক্রাফটসমান অটোমেশন, বারবিকিউ নেশন হসপিটালিটি, ইসাফ স্মল ফিনান্স ব্যাংক এবং কল্যান জুয়েলার্স ইন্ডিয়া।

আইপিও বাজার বিস্তার হচ্ছে সস্তায় নগদ মেলায় এবং বাজারের অবস্থা জন্য। ‌ দেখা গিয়েছে ২০২১ সালের প্রথম দু’মাসের যেসব আইপিও গুলি হয়েছে সে গুলির বেশিরভাগই ওভার সাবস্ক্রাইভ হয়েছে বেশ কয়েক গুণ এবং লগ্নিকারীদের বিনিয়োগ করা ওই সব শেয়ার নথিভুক্ত হবার সময় ভালোমতোই দাম বৃদ্ধি হয়েছে। সে ক্ষেত্রে মার্চ মাসেই বিশেষত সংস্থাগুলির কাছ থেকে পাবলিক অফার করার ক্ষেত্রে একটা তাড়াহুড়ো থাকবে। কারণ তা যদি করতে না পারা যায় সে ক্ষেত্রে আরও দেরি হয়ে যেতে পারে সেই সব সংস্থার ক্ষেত্রে যারা ত্রৈমাসিক ফলাফল তুলে দেওয়ার পর আইপিও আনতে চাইবে।

এই সপ্তাহে টানা তিন দিন ধরে শেয়ার সূচক উঠছে । সোমবারের পর মঙ্গলবারেও শেয়ার সূচক ঊর্ধ্বমুখী। দিনের শেষে বিএসই সেনসেক্স ৪৪৭ পয়েন্ট উপরে উঠে মঙ্গলবার ফের ৫০হাজার ছাড়িয়েছিল। তারপরে বুধবারের সেনসেক্স উঠেছে ১১৪৮ পয়েন্ট এবং তারফলে দিনের শেষে অবস্থান করছে ৫১,৪৪৫ পয়েন্টে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।