স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : উত্তরবঙ্গে চলছে বর্ষার দাপট। এখনও নতুন সতর্কতার প্রভাবে সেই পরিমান বৃষ্টি শুরু না হলেও। ইতিমধ্যেই সেখানে যে পরিমান বৃষ্টি হচ্ছে তা যথেষ্ট বেশি তা বলা যেতেই পারে, কারণ উত্তরের বেশিরভাগ জেলা আগে থেকেই টইটুম্বুর। যত বৃষ্টি হবে তত বন্যা ও ভূমিধ্বসের সম্ভাবনা বাড়বে।

আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত শিলিগুড়িতে ১৯.৩ মিলিমিটার, মালদহে ১৫.১ মিলিমিটার, জলপাইগুড়িতে ৫৭.৪ মিলিমিটার, দার্জিলিংয়ে ৫.৯ মিলিমিটার, , কোচবিহারে ১০.৫ মিলিমিটার , বালুরঘাটে ২৪.০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করবে সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয় বাষ্পের পরিমান ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উত্তরে ফের বাড়বে বৃষ্টি। ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই ভারী বৃষ্টির সতর্কতার মধ্যে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস মিলছে দার্জিলিং, কালিম্পঙে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়িতে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহারে। আলিপুরদুয়ারেও ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভুটান পাহাড়ে বৃষ্টি হলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে জলপাইগুড়ি প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

প্রায় একই সঙ্গে দেশের দুই প্রান্তে হাজির হয়েছে দু’টি নিম্নচাপ। আর তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন পূর্ব ও পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে জোরালো বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে দিল্লির মৌসম ভবন। সূত্রের খবর , মৌসুমি অক্ষরেখার অবস্থানের ফলে উত্তর-পশ্চিম এবং মধ্য ভারতেও বৃষ্টি হবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে জানা গিয়েছে, নিম্নচাপটির অবস্থান উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে হওয়ার ফলে সমুদ্র উত্তাল হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ