কেপ টাউন: শেষ ওয়ান ডে ম্যাচ খেলেছিলেন অক্টোবর ২০১৫তে , দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সুযোগ পাওয়ার আগে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২০১৭ এর ফেব্রুয়ারিতে! ভারতীয় ক্রিকেটে তরুণ প্রতিভাদের মাঝে সুরেশ রায়না নামটাই প্রায় মুখে গিয়েছিল৷কক্ষপতচ্যুত হয়ে গিয়েছিলেন সীমিত ওভারের ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বাঁ-হাতি৷

১২ মাস পর ফিরলেন জাতীয় দলে৷ফিরলেন স্বমহিমায়৷

ঘরোয়া ক্রিকেট সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে মারকাটারি ধুঁয়াধার ইনিংস খেলায় নির্বাচকদের নজরে আসেন রায়না৷ ফের জায়গা হয় জাতীয় দলে৷প্রোটিয়া সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রত্যাবর্তন করে তিন ম্যাচে করলেন ৮৯ রান৷স্ট্রাইক রেট ১৫০ এর উপর৷সিরিজ নির্ণায়ক ফাইনাল ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে এল ৪৩ রানে ম্যাচ জেতানো ইনিংস৷শুধু তাই নয় কেপ টাউনে বল হাতেও বিংধ্বসী মিলারের উইকেটটি তুলে নিয়ে ম্যাচের রঙ পালটে দেন৷অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন রায়না৷ছাপ রেখেছেন ফিল্ডিংয়েও৷ সিরিজে মোট চারটি ক্যাচ নিয়েছেন৷

এই প্রত্যাবর্তনের লড়াই অবশ্য সহজ ছিল না রায়নরা, ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রায়না বলেন,‘দু’বছরের হার না মানা পরিশ্রমের দাম পেলাম৷ঘন্টার পর ঘন্টা জিমে কাটিয়েছি৷দেশের হয়ে খেলার আশায় কঠিন লড়াই করে গিয়েছি৷নিজের উপর বিশ্বাস ছিল ফের নীল রঙা দেশের জার্সিটা গায়ে চাপাতে পারব৷ মানসিক চাপ সামলে লড়াই করে যেতে হয়েছে৷ পরিবার আমার পাশে ছিল, ওদেরকে ধন্যবাদ জানাই৷’

লড়াই এখানেই শেষ হয়নি সেটাও জানাতে ভোলেননি বাঁ-হাতি ব্যাটার৷ বিশ্বকাপের আগে ৩১টি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলবে কোহলির ভারত৷ সেই ওয়ান ডে স্কোয়াডে ফেরাই এখন রায়নার লক্ষ্য সেটাই পরিষ্কার করে দিয়েছেন তিনি৷সাংবাদিক বৈঠকে রায়না বলেন, ‘২০১১ বিশ্বকাপ, আমার কেরিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ ছিল৷বাড়ির ক্যাবিনেটে সেই ট্রফিটা অবশ্যই সেরা প্রাপ্তি৷ কয়েকটা ভাল ম্যাচ খেলে ফের ওয়ান ডে দলে ফিরে আরও ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলতে চাই৷’