স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : বর্ধমান , বীরভূম , ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। তবে কলকাতায় যথারীতি এখন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

গরম ছাড়া কলকাতার ভাগ্যে এই মুহূর্তে কিছু নেই। বৃহস্পতিবার সাত সকালেই শহরের পারদ ৩৮ ছুঁই ছুঁই। পরিস্থিতি ক্রমে অসহ্য হয়ে উঠছে কলকাতার জন্য। লং টার্ম ফোরকাস্ট জানিয়েছিল গরম কম পড়বে। কোথায় কি! লম্বা ইনিংস চলছে গরমের। দক্ষিণবঙ্গের অন্যন্য জেলায় একটু আধটু বৃষ্টি হচ্ছে। কলকাতা একেবারে খটখটে শুকনো।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশী। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশী। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৬ শতাংশ। বুধবার সকালে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশী। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশী। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৩ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকতে পারে সর্বোচ্চ ৩৭ থেকে সর্বনিম্ন ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। মঙ্গলবার সকালে শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশী। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশী। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৩ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৬ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকতে পারে সর্বোচ্চ ৩৭ থেকে সর্বনিম্ন ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। কিভাবে পারদ চড়ছে তিন দিনের পরিস্থিতি স্পষ্ট।

গত সপ্তাহে সন্ধ্যায় ঝেঁপে বৃষ্টি হয় সঙ্গে ৭৮ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী। তাতেও কোনও লাভ হয়নি। সকাল বেলার তাপমাত্রা কমের দিকে থাকলেও বেলা গড়াতেই ফের শুরু হয় মারাত্মক রকম অস্বস্তিকর গরম। সেই গরমই চলছে। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, যে পরিমাণ মেঘ জমাট বেঁধেছিল তা থেকে পুরো বৃষ্টি হয়নি। সঙ্গে দক্ষিণ – পশ্চিমী বায়ু নাগাড়ে প্রবেশ করছে কলকাতায় , ফলে আর্দ্রতার পরিমাণ বেলা বাড়তেই বেশী করে অনুভূত হতে শুরু করছে।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I