সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : জন্মাষ্টমীতে নাকি ভরপুর বৃষ্টি হয়। সকাল থেকে শহরের আকাশ দেখে তা মনে হয়নি। হাওয়া অফিস কম বৃষ্টির সম্ভাবনাকে স্পষ্ট করেছে পূর্বাভাসে। কলকাতা বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৯০ শতাংশের উপরে থাকতে পারে। তাপামাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকবে। ফলে দিনভর আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি বহাল থাকবে শহরে।

কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। সকাল থেকেই বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি টের পাচ্ছে শহরবাসী। বেলা যত বাড়বে, অস্বস্তিও বাড়বে। দুপুর বা বিকেলে অস্বস্তিকর আবহাওয়ার জেরে দু’ এক পশলা বৃষ্টি মিলতে পারে। এইটুকু নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হতে পারে জন্মাষ্টমীতে কলকাতাবাসীকে। কলকাতায় মঙ্গলবার সকালে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সোমবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ৭২ থেকে ৯৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৩.৩ মিলিমিটার। দমদমে ০.৮, সল্টলেকে ১০.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় সোমবার সকালে তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৬৯ থেকে ৯৪ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ছিটেফোঁটা। এমন আবহাওয়ারই পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা মঙ্গলবারেও।

এদিকে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টির হাল প্রায় একইরকম। বেড়েই চলেছে ঘাটতির পরিমান। আবহাওয়াবিদরা বর্ষা শুরুর আগে বলেছিলেন স্বাভাবিক বৃষ্টি হবে এই মরসুমে। বেশি বৃষ্টি হবে দক্ষিণে। উত্তরকে ছাপিয়ে যাবে। কিন্তু কোথায় কী? বৃষ্টির বদলে হচ্ছে বিশ্রী ঘাম যা নাজেহাল করছে মানুষকে। হাওয়া অফিসের অঙ্কের নিয়ম অনুযায়ী অবশ্য রাজ্যের হাতে ঢের সময় রয়েছে বৃষ্টির এই ঘাটতিকে মেটানোর। তবে কবে থেকে সেই ঘাটতি মেটার বৃষ্টি সেই পূর্বাভাস মিলছে না, কারণ নিম্নচাপ এসেও সরে যাচ্ছে অন্য রাজ্যের দিকে। দেখা যাচ্ছে পয়লা আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি কমলেও এখনো সেখানে ২ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে প্রয়োজনের তুলনায়। অপরদিকে দক্ষিণবঙ্গে এই ১০ দিনে বৃষ্টির ঘাটতি পৌঁছে গিয়েছে ১৭ শতাংশে। জুন থেকে আগস্টের বৃষ্টির হালও সেই একই। এই আড়াই মাসে উত্তরবঙ্গে ৪১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণে বৃষ্টির ঘাটতি ৭ শতাংশ। ৩০ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এই সময়ে উত্তরে ৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণে বৃষ্টির ঘাটতি ৩৬ শতাংশ। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে মাস অনুযায়ী বর্ষা ঋতু যত শেষের দিকে এগিয়েছে বৃষ্টির পরিমান না বেড়ে ঘাটতি লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েই চলেছে দক্ষিণে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও