তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ফের বৃষ্টিতে ভাসলো বাঁকুড়া। সোমবারের পর মঙ্গলবার প্রাক সন্ধ্যায় জেলা জুড়ে বৃষ্টির দাপট দেখা গেল। এদিন বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে উপরি পাওনা হিসেবে ছিল ঝোড়ো হাওয়া। ফলে বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু গাছ ভেঙ্গে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন অংশে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যহত হয়েছে।

তবে পর পর দু’দিনের বৃষ্টিকে স্বাগত জানিয়েছেন বাঁকুড়াবাসী৷ গত কয়েক দিনে যেভাবে উত্তরোত্তর তাপমাত্রার পারদ বাড়ছিল তাতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন সকলেই। সেই হাঁসফাঁস অবস্থা আর প্যাচপ্যাচে গরম থেকেই আপাতত রেহাই মিলবে। এটাই এখন সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর এখানকার মানুষের কাছে।

যেমন মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। অর্থাৎ বৃষ্টি ঝড়ে তাপমাত্রায় বিশেষ হেরফের হয়নি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেছে অনেকটা। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সোমবার রাতে কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ১০.৩ মিলিমিটার। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ শতাংশ সর্বনিম্ন ৫৪ শতাংশ।

মার্চ এপ্রিলের প্রথম দিকে পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টি হলেও নিয়মিত আনাগোনা ছিল ঝড়-বৃষ্টির। পরে তা উধাও হয়ে যায়। ফণীর পর অবস্থা অসহনীয় হয়ে ওঠে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় লু বয়েছে এই কয়েকদিনে। গত ক’দিন ধরেই রাজ্যের বায়ুর পরিমণ্ডলে জলীয় বাষ্প পর্যাপ্ত তৈরি হয়, যা ফণী নিয়ে গিয়েছিল তা ফের হাজির হয়। সেটিকে ঠেলে তুলে দেয় বিহারের ঘূর্ণাবর্ত, সঙ্গ দিয়েছে উত্তর-দক্ষিণে বরাবর বিস্তৃত লম্বা নিম্নচাপ অক্ষরেখাও। ফল, বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি এবং বৃষ্টি।