কলকাতা: দিনের শুরুটা হয়েছিল ঝড়-বৃষ্টিতে। দিনের শেষে ফের প্রবল বৃষ্টি। রবিবার সকালের পর মাঝ-রাতে ফের শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি।

সারাদিন মোটামুটি পরিস্কার আকাশ থাকলেও, রাত বাড়তেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামে। সঙ্গে মেঘের ব্যাপক গর্জন। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। ঘূর্ণিঝড় আমফানের পর থেকেই একাধিকবার ঝড়-বৃষ্টির সাক্ষী থাকছে শহরবাসী। এর মাঝে ৯৬ কিলোমিটার বেগে এক কালবৈশাখীও হয়ে গিয়েছে। সেই ঝড়েও অনেক ক্ষতি হয় বহু জায়গায়।

এদিন সকালে, হঠাৎ করেই বৃষ্টি হয় কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। তার জেরেই নেমে যায় বিগত কয়েকদিনে অনেকটা বেড়ে যাওয়া তাপমাত্রা।

রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। রবিবারের বৃষ্টিতে তা অনেকটাই নেমেছে তা স্পষ্ট। শনিবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক।

বাংলায় বর্ষা আসবে ১১ জুন নাগাদ। সাধারণত ১৫ জুন বাংলায় বর্ষা আসে। কিন্তু সাগরের হওয়ার ধাক্কা এবং অপরদিকে আমফান এগিয়ে আনছে বাংলায় বর্ষা আগমনের সময়কে। এমনটাই জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর।

বৃহস্পতিবার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে ঘিরে ফেলে বর্ষার মেঘ। আমফান ধাক্কা দিয়ে আগেই আন্দামানের দিকে দক্ষিণ-পশ্চিমী মৌসুমী বায়ুকে ঠেলে দিয়েছিল। তার উপর ক্রমাগত পূবালী হাওয়া এবং মেঘের উপর নির্ভর করে দক্ষিণ বঙ্গপসাগরে আরও এগিয়ে আসে দক্ষিণ-পশ্চিমী মৌসুমী বায়ু এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে সম্পূর্ণ ঘিরে ফেলে বর্ষা।

জানা যাচ্ছে পয়লা জুনে কেরলেও চলে আসতে পারে বর্ষা। এর দিকেই তাকিয়ে রয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কারণ কেরলে বর্ষার গতিবিধির উপরেই নির্ভর করে বাংলায় মৌসুমী বায়ুর প্রবেশ।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।