নটিংহ্যাম: ‘রেইন রেইন গো অ্যাওয়ে/ টিম ইন্ডিয়া ওয়ান্টস টু প্লে’। নটিংহ্যামের গ্যালারিতে এমনই প্ল্যাকার্ড হাতে এক ক্রিকেট অনুরাগী। তবে কেবল সেই জনৈক ক্রিকেট অনুরাগীই নন, বিশ্বকাপ অনুরাগীদের প্রত্যেকেরই হয়তো বৃষ্টির কাছে এখন একটাই আকুতি। মঙ্গলবারই গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলিতে রিজার্ভ ডে না রাখার কারণ দর্শিয়েছেন ওয়ার্ল্ড কাপ সিইও ডেভ রিচার্ডসন। কিন্তু তাতে মোটেই চিড়ে ভেজেনি অনুরাগীদের। বরং হতাশা বাড়িয়ে ট্রেন্ট ব্রিজে ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচও ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কায়।

ভ্রূকুটি ছিলোই। আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত করে সকাল থেকেই নটিংহ্যামের আকাশের মুখ ভার। বরুণদেবের দেখা তো নেইই, বরং বলা ভালো গ্রাউন্ডসম্যানদের নাচিয়ে ছাড়ছে বেহায়া বৃষ্টি। দফায় দফায় মাঠ পরিদর্শনে আম্পায়াররা। তবে খেলা শুরু হওয়া তো দূর অস্ত, নির্ধারিত সময়ের একঘন্টা অতিক্রান্ত হলেও ট্রেন্ট ব্রিজে এখনও অবধি টস করে উঠতে পারেননি দু’দলের অধিনায়ক। বেশ কয়েকবার বৃষ্টি থামায় পিচের কভার সরিয়ে নেওয়া হলেও বারংবারই অনুরাগীদের ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটাচ্ছে আবহাওয়া।

আরও পড়ুন: পরিসংখ্যানে পাল্লা ভারি কিউয়িদের, আবহাওয়া সহায় হলে অপরাজিত থাকাই লক্ষ্য দু’দলের

রোদ্দুরের দেখা নেই, বিগত কয়েকদিন ধরেই নটিংহ্যামে হাইড অ্যান্ড সিক খেলছে বৃষ্টি। তাই চলতি বিশ্বকাপের চতুর্থ ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার আশঙ্কায় প্রহর গুনছিলোই ট্রেন্ট ব্রিজ। বুধবার যদিও ঘন্টাখানেকের নেট সেশনের সুযোগ পেয়েছেন কোহলিরা। কিন্তু ম্যাচের দিন সকাল থেকেই ফের বাধ সেধেছে বৃষ্টি। আবহাওয়াকে হারিয়ে ক্রিকেট কি ট্রেন্ট ব্রিজে বৃহস্পতিবার জিততে পারবে ক্রিকেট? সেটার জন্য অপেক্ষা আরও কিছু সময়ের।

ভারতীয় সময় বিকেল ৫টায় মাঠ পরিদর্শনে আসেন দুই আম্পায়ার রড টাকার ও মারাইস এরাসমাস। তবে আউটফিল্ড ভিজে থাকায় ম্যাচ শুরু করার কোনও ঝুঁকি নেননি আম্পায়ারদ্বয়। ভারতীয় সময় সন্ধে ৬টায় ফের একবার মাঠ মাঠ পরিদর্শনে আসবেন তাঁরা।