প্রদ্যুৎ দাস, জলপাইগুড়ি: তীব্র দাবদাহের পর বহুকাঙ্খিত বৃষ্টি৷ উত্তরবঙ্গে ফের স্বস্তির আবহাওয়া৷ সোমবার রাত ৮টা নাগাদ জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি নামে৷ জোরালো বৃষ্টিতে পথে বহু জায়গায় আটকেও যান অনেকে৷ বিভিন্ন স্থানে জমে যায় জল৷ বৃষ্টিতে স্বভাবতই আবহাওয়া অনেকটাই স্বস্তিদায়ক হয়ে ওঠে৷

তবে দক্ষিণবঙ্গে কী আদৌ দেখা মিলবে বৃষ্টির? আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সে সম্ভাবনা রয়েছে৷ পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহ চললেও, আগামী ২-৩ ঘন্টার মধ্যেই ঝড়-বৃষ্টিপাতে সাময়িক স্বস্তি পাবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলা৷ প্রতি ঘন্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে৷ পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদের মতো কিছু জেলাতে মধ্যমানের বৃষ্টি হতে পারে৷

পড়ুন:  আগামী ২-৩ ঘন্টার মধ্যেই ঝড়-বৃষ্টিপাতে সাময়িক স্বস্তি পাবে দক্ষিণবঙ্গ

গত শনিবার হাওয়া অফিস জানায়, কলকাতায় রবিবার এবং সোমবার এই ২ দিন সূর্যের তেজের চেয়ে বেশি সমস্যায় ফেলবে আর্দ্রতা। তার জেরে ভোটের দিন নাজেহাল হতে পারে সাধারণ মানুষ। তবে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলা আবার সাময়িক স্বস্তিও পেতে পারে বলে সোমবার জানা গিয়েছে৷

গত কয়েকদিন ছিটে-ফোটা বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ছিল। বৃষ্টি সম্ভাবনা নেই ফলে ফের ধীরে ধীরে চড়ছে পারদ। কলকাতায় রবিবার তাপমাত্রা ৩৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯১শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ।

শনিবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯১শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৩ শতাংশ। এই বেড়ে যাওয়া আর্দ্রতাই সকালে অস্বস্তি বিকালে স্বস্তি দিতে পারে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদরা।