ফাইল ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: প্যাচ প্যাচে গরম থেকে বাঁকুড়া শহরের মানুষকে স্বস্তি দিল রবিবাসরীয় দুপুরের বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। যদিও দক্ষিণ বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ অংশে মাঝে মধ্যে মেঘলা আকাশ ছাড়া ছিঁটে ফোঁটা বৃষ্টিরও দেখা মেলেনি বলেই খবর।

আরও পড়ুন- ইতালিয়ান বা ভারতীয়, গান্ধী পরিবারের কেউই মোদীকে হারাতে পারবেনা : স্মৃতি

বাঁকুড়া শহরে এদিন দুপুর থেকেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়। কিছূক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি, সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্র বিদ্যুৎ। এই ঘটনায় বিগত কয়েক দিনের তীব্র গরম থেকে রক্ষা পান শহরবাসী।

আরও পড়ুন- গুজরাত সীমান্তের এই হত্যাকাণ্ড জালিয়ানওয়ালাবাগের চেয়ে কম কিছু নয়

অনেকেই স্বীকার করেছেন দক্ষিণের এই জেলায় গত কয়েক দিনে যেভাবে তাপমাত্রার পারদ চড়ছিল তাতে দুপুরের পর বাড়ির বাইরে বেরোনোই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আধ ঘন্টারও বেশী সময়ের এই বৃষ্টিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সকলেই।

আরও পড়ুন- দিল্লি পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না, গোল্লায় গোল্লা পাবে বিজেপি: মমতা

কিন্তু অন্যদিকে দক্ষিণ বাঁকুড়ার বিস্তীর্ণ অংশে গত কয়েক দিনে বৃষ্টির দেখা মেলেনি। একদিকে তীব্র গরম, অন্যদিকে বৃষ্টির অভাবে ডাল ও তেল শস্য ও অন্যান্য সব্জী চাষে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এখানকার চাষীরা।

আরও পড়ুন- শিখ হত্যা ও রাজীবের প্রসঙ্গ টেনে, সাধ্বী প্রজ্ঞার পাশে দাঁড়ালেন খোদ প্রধানমন্ত্রী

এই মুহূর্তে এখানকার মানুষ এক পশলা বৃষ্টির দিকেই তাকিয়ে আছেন। কারণ এই মুহূর্তে এই এলাকায় বৃষ্টি মানেই তীব্র গরম থেকে সাময়িক রেহাই, অন্য দিকে চাষে বিপুল পরিমান ক্ষতির হাত থেকেও রেহাইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, বাঁকুড়া জেলার ওন্দা এলাকায় এদিন ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে এদিন বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন বৃষ্টি হয়েছে আট মিলিমিটার।