স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : হাওয়া অফিস বলছে, চৈত্রের শেষে এসেও স্বাভাবিকের নীচে রয়েছে শহরের তাপমাত্রা। তবে সারাদিনের গরম সেকথা বলছে না৷ যদিও মঙ্গলবার কলকাতায় সকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৮৪ সর্বনিম্ন ৪২ শতাংশ।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আর্দ্রতাই ভোগাচ্ছে শহরবাসীকে৷ তবে বিকেলে দিকে ঝড়বৃষ্টি সে তাপ কমাচ্ছে অনেকটাই৷ বাতাসে দক্ষিণ পশ্চিমী বায়ুর প্রভাব রয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলের দিকে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর।

এদিকে, শনিবার শহরে আছড়ে পড়ে কালবৈশাখী। শনিবার সন্ধ্যা ৭.০৬ নাগাদ উত্তর পশ্চিম দিক থেকে আছড়ে পড়ে ঝড়। গতিবেগ ছিল ৬৪ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা।

শনিবার বাঁকুড়াতেও ব্যাপক ঝড় হয়। টানা দুমিনিট ধরে প্রথমে কালবৈশাখী পরে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয় আট মিনিট ধরে। বিকেল ৫.০৭ মিনিট নাগাদ টানা ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায়। ৫.০৭ মিনিট থেকে ৫.১৫ মিনিট পর্যন্ত হয় শিলাবৃষ্টি। শিলাগুলির আয়তন প্রায় দুই মিটার। দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই ঝড় বৃষ্টি হয়েছে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

গত বছরের কালবৈশাখীর রেকর্ড ভেঙে শুক্রবারেই কলকাতায় আছড়ে পড়েছিল ঝড়। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রথম কালবৈশাখীটি হয় সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে। যার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০ কিমি৷ সন্ধ্যা ৭টা৫৪ মিনিটে আছড়ে পরে দ্বিতীয় কালবৈশাখী। গতিবেগ ছিল ৮১ কিমি প্রতি ঘণ্টা। এরপরের যে ঝড়টি হয় ৭.৫৫ মিনিটে। এর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৯৯ কিলোমিটার, কিন্তু সেটি কালবৈশাখী ছিল না। কারণ শর্ত মেনে এক মিনিট স্থায়ী হয়নি ওই ঝড়৷