নয়াদিল্লি: ” স্ট্যাচু অফ ইউনিটি ” চাক্ষুষ দেখতে চান! আপনার জন্য সুখবর। আগামী ৪ ঠা মার্চ থেকে গুজরাতে চালু হতে চলেছে বিশেষ ট্রেন। এই ট্রেন আপনাকে পৌঁছে দেবে ” স্ট্যাচু অফ ইউনিটি ” পর্যন্ত। ভারতীয় রেলের তত্ত্বাবধানে চালু হতে চলেছে এই ট্রেন।

দেশের সবচেয়ে উচ্চতম মূর্তিটির উন্মোচনের পাঁচ মাসের মাথায় এই ট্রেন চালু হতে চলেছে। ” ভারত দর্শন পরিবহণ প্রকল্প “এর আওতায় এই ট্রেনের যাত্রা শুরু হতে চলেছে। সাত রাত ও আট দিনের সফর। চণ্ডীগড় থেকে যাত্রা শুরু করে উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর জ্যোতিলিঙ্গ , ইনডোরের কাছে ওমকারেশ্বর জ্যোতিলিঙ্গ, সিরডির সাঁই বাবা দর্শন, নাসিকের ত্রিম্বকেশ্বর, এবং ওরঙ্গবাদের ঘ্রিশনেশ্বর জ্যোতিলিঙ্গ-এর মত তীর্থ স্থানগুলি ভ্রমণ করা যাবে এই সফরে।

তারপর পর্যটকদের বাসে করে মূর্তি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হবে। ট্রেনের সফর শেষ হবে ভাদদরা স্টেশনে। এই সফরটি ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যানড ট্যুরিজম কর্পোরেশন লিমিটেডের অর্থাৎ আইআরসিটিসি-র দ্বারা পরিচালিত হবে। সফর মূল্য হসেবে মাথাপিছু ধার্য করা হয়েছে ৭৫৬০ টাকা। এই সফরে নানাবিধ বোর্ডিং আছে। পর্যটকদের সুবিধের জন্য তার সঙ্গেই থাকছে চণ্ডীগড়, আম্বালা, কুরুক্ষেত্র, কারনাল, পানিপথ, দিল্লি কন্ত, রিওয়ারি, আলয়ার, এবং জয়পুরের মত ডি- বোর্ডিং স্টেশন গুলিও।

একটি সরকারী প্রেস রিলিসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ” এই সফরটি দেশের লৌহ মানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার জন্য সাজানো হয়েছে। গুজরাতের নর্মদা ড্যামের সামনে সাধু বেত দ্বীপে এই স্ট্যাচু অফ ইউনিটি স্থাপিত হয়েছে। ১৮২ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট মূর্তিটি ভারতের সবচেয়ে লম্বা মূর্তি। ট্রেনের সফর শেষ হবে ভাদদরা স্টেশনে। তারপর পর্যটকদের বাসে করে মূর্তি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হবে। “

সফরটিতে থাকছে নন এসি স্লিপার ক্লাসে ট্রেন জার্নি, হল/ডরমেনটরি বাসস্থান-এ রাত কাটানোর বন্দোবস্ত, মর্নিং ফ্রেশেন আপ, রাস্তা পরিবহণ, নিরামিষ খাবার, নন এসি গাড়িতে ভ্রমণ পথ অনুযায়ী দর্শনীয় স্থান, ট্যুর ম্যানেজার ও সুরক্ষার ব্যবস্থাপনা।