নয়াদিল্লি : ট্রেনযাত্রীদের জন্য সুখবর। ট্রেন যাত্রার একঘেয়েমি কাটাতে এবার কামরার মধ্যেই ব্যবস্থা থাকবে বিনোদনের (Entertainment on Wheels)। প্রতিটি কুপে থাকবে স্পেশাল স্ক্রিন। যেখানে যাত্রীরা নিজের আঞ্চলিক ভাষায় দেখতে পাবেন পছন্দের সিনেমা, ভিডিও বা খবর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কনটেন্ট অন ডিমান্ড (Content on Demand) প্রকল্পে ছাড়পত্র মিলেছে। এই মাস থেকেই চালু হয়ে যেতে পারে নয়া সুবিধা।

বৃহস্পতিবার রেল মন্ত্রকের (Railway Board) এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, এই সম্প্রচার হবে বাফার ফ্রি। মিডিয়া সার্ভার ট্রেনের প্রতিটি কোচের ভিতরেই লাগানো থাকবে। জি এন্টারটেইনমেন্টের সংস্থা মার্গো নেটওয়ার্কের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে RailTel এই ব্যবস্থা করছে। প্রাথমিকভাবে রাজধানী (Rajdhani) ও ওয়েস্টার্ণ রেলের (Western Railway) এসি কোচে এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। সাফল্য পেলে, তা দেশের অন্যান্য রুটেও চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই পরিষেবা চালু করা হলে যাত্রীদের থেকে সেভাবে কোনও টাকা আপাতত নেওয়া হবে না। তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে পুরোপুরি পরিষেবা চালু হলে, বিনোদনের জন্য পেড ও নন-পেড দুই ভাবে টিকিট থাকবে। এই পরিষেবা দিতে প্রাথমিকভাবে ৬০ কোটি টাকা আয় হবে বলে রেল মন্ত্রক মনে করছে।

এর আগে জানানো হয়েছিল, একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসাবে নয়াদিল্লি-হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেসে স্মার্ট উইন্ডো বসানো হয়েছে৷ রেল সফরের সময় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ জানলা ব্যবহার করা হচ্ছে৷ আপাতত হাওড়া-দিল্লি রাজধানীর এসি ১ কোচে এই স্মার্ট উইন্ডো বসানো হয়েছে৷

এই স্মার্ট উইন্ডোর বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে৷ এখানে রয়েছে উচ্চমাত্রার অপটিক্যাল কোয়ালিটি ও গোপনীয়তা৷ রেল যাত্রীরা কামরার ভিতরে আলো জ্বালালে এই উইন্ডোগুলি অস্বচ্ছ হয়ে যাবে৷ ফলে বাইরে থেকে ভিতরের উঁকি দেওয়া সম্ভব হবে না৷ রেল যাত্রীদের গোপনীয়তাও নিশ্চিত থাকবে৷ এছাড়াও এই স্মার্ট উইন্ডো যাত্রীদের অযাচিত আলো থেকে রক্ষা করবে এবং তাঁদের অতিবেগুনী রশ্মি থেকেও সুরক্ষিত করবে৷ এর মধ্যে থাকা বিশেষ কাঁচ জানলা ভেদ করে অতিবেগুনী রশ্মিকে ভিতরে ঢুকতে দেয় না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।