নয়াদিল্লি: বছর দুয়েক হল আর আলাদা করে কোনও রেল বাজেট হয় না। সাধারণ বাজেট ও রেল বাজেট একসঙ্গেই পেশ হয় লোকসভায়।

এবারের বাজেটেও রেলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রেলে প্রচুর বিনিয়োগ করার কথা এদিন উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০১৮ থেকে ২০৩০-এর মধ্যে ৫০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। ৩০০ কিলোমিটার মেট্রো ও রেল প্রকল্পের অনুমোদনও দিয়েছে কেন্দ্র।

রেলের ট্র্যাক তৈরি, স্টক ম্যানুফ্যাকচারিং ও ডেলিভারি সার্ভিসের ক্ষেত্রে সেই টাকা খরচ করা হবে। বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে কাজ করবে রেল।

শুধু রেল নয়, মেট্রোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে রেল বাজেটে। দেশ জুড়ে ৬৫৭ কিলোমিটার মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক কার্যকর করা হবে। রেল স্টেশনের আধুনিকীকরণের জন্যও বিনিয়োগ হবে বলে জানা গিয়েছে। রেলে ‘আদর্শ ভাড়া’ লাগু করার ঘোষণাও করেন সীতারমন।

২০২২ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ হয়ে যাবে ফ্রেট করিডরের কাজ। এর ফলে রেল লাইনের উপরে চাপ কমবে। তার জেরে আগামী দিনে সেমি হাইস্পিড ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। ছোট শহরে রেলের উন্নয়নে এসপিভি-র উপরে জোর দিয়েছে সরকার। সেমি হাইস্পিড ট্রেনের সংখ্যাও বাড়তে চলেছে। সময়ে ট্রেন চালানোর উপরেও জোর দিয়েছে কেন্দ্র।

রেলের টিকিটের দাম বাড়েনি। তবে আগামী দিনে আদর্শ ভাড়া প্রকল্প চালু করার কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। অনেকেই মনে করছেন, রেলের লোকসান কমাতে ভাড়া বাজারের উপরে ছাড়া হতে পারে।

যাত্রীস্বাচ্ছন্দ্য, সুযোগসুবিধা ও নিরাপত্তায় জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ট্রেনের গতি বাড়ানোর চেষ্টাও জারি থাকবে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও