নয়াদিল্লি: রেল যাত্রীরা প্রায় এক বছর পর সুসংবাদ পাচ্ছেন। করোনা সঙ্কটের কারণে, সারা দেশের রেল স্টেশনগুলিতে ওয়েটিং রুম লক হয়ে ছিল। স্টেশনেই ঘোরাঘুরি করতে হত যাত্রীদের। কিন্তু এখন বদলেছে পরিস্থিতি। ওয়েটিং রুম খোলার অনুমতি দিয়েছে রেল মন্ত্রক।

রেল মন্ত্রকের তরফে জোনাল রেলওয়েকে ওয়েটিং রুম আবার চালু করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে অনুমতি দিয়েছে। তবে ওয়েটিং রুমে যাত্রীদেরকে অবশ্যই কোভিড সম্পর্কিত প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

রেলওয়ে বোর্ড ইতিমধ্যেই আইআরসিটিসি কর্তৃক পরিচালিত হোটেলগুলি ও রেস্ট হাউস খোলার অনুমতি দিয়েছে। শেষ একবছর যাত্রীদেরকে স্টেশনেই দাঁড়িয়ে বা বসে থাকতে হত। ওয়েটিং রুমের তালা খোলার সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরবে মানুষের।

উল্লেখ্য, বর্তমানে প্রয়োজনমতো পর্যায়ক্রমে দূরপাল্লা ও লোকাল ট্রেন চালু হয়ে গিয়েছে। ফলে স্টেশনে রেল যাত্রীদের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। আর তাই যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে রেলওয়ে স্টেশনগুলির ওয়েটিং রুম চালু করার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে এটা যেমন সুসংবাদ। তেমন কিছু খারাপ খবরও আছে। মুম্বই মেট্রোপলিটন রিজিওনের বেশ কিছু স্টেশনে বাড়ানো হল প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম। মুম্বাইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, দাদার ও লোকমান্য তিলক টার্মিনাসে প্লাটফর্ম টিকিটের ভাড়া বাড়িয়ে করা হল ৫০ টাকা। আগে এই টিকিটের ভাড়া ছিল মাত্র ১০ টাকা। সেন্ট্রাল রেলের তরফে প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

সম্প্রতি কিছুদিন আগেই নিঃশব্দে বেড়েছিল দূরপাল্লার ট্রেন ভাড়া। স্বল্পদূরত্বের ট্রেনের ক্ষেত্রেও ৩ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হবে বলে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে রেলের তরফে বলা হচ্ছে, এখনও যেহেতু করোনা বর্তমান ও কিছু রাজ্যে সংক্রমণ ফের বাড়ছে, তাই স্বল্পদূরত্বে ট্রেনের ব্যবহারে মানুষকে নিরুৎসাহী করতেই এই ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। রেলের দাবি, এই ভাড়া বৃদ্ধির ফলে বেশ কিছু মানুষ ট্রেন পরিষেবা এড়িয়ে চলবে ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা কমবে।

যদিও অনেকের আশঙ্কা এভাবে করোনা জুজু দেখিয়ে প্ল্যাটফর্ম টিকিটের দাম বা স্বল্পদূরত্বের ক্ষেত্রে টিকিটের দাম বৃদ্ধি হলেও পরবর্তীতে তা কতটা কমানো হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ফলে চাপ বাড়ছে মধ্যবিত্তের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।