নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরসের আতঙ্কে দেশ জুড়ে বন্ধ পরিবহন। কোন ভাবেই যাতে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেই কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে এই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। আর সেই কারণে একাধিক অফিসে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে জানানো হয়েছে। তবে জানানো যাচ্ছে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে আবার স্বাভাবিকভাবে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বুকিং শুরু হবে।

অনেক জায়গায় প্রকাশিত হয়েছে যে, নতুন করে ১৫ এপ্রিল থেকে বুকিং শুরু হয়েছে। কিন্তু রেল জানাচ্ছে, এই তথ্য সঠিক নয়। ১৫ এপ্রিলের পরের নিয়মে কোনও পরবির্তন হয়নি। সুতরাং নতুন করে চালু করারও কোনও প্রশ্ন নেই।

রেলের এক শীর্ষ আধিকারিকের তরফ থেকে জানা গিয়েছে আইআরসিটিসি বুকিং প্রক্রিয়া আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে যেমন ছিল, তেমমই থাকবে। দেশ জুড়ে লক ডাউনের জেরে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ। তবে লক ডাউনের আগে থেকেই প্রভাব পড়তে শুরু করেছিল ট্রেন সহ অন্যান্য পরিবহন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে। তবে এই নিয়ম শিথিল করা হয়েছিল পন্য ট্রেন বা মালগাড়ির ক্ষেত্রে। মার্চের শেষের দিক থেকেই কমতে শুরু করেছিল যাত্রী সংখ্যা। ভারতে পরিবহনের ক্ষেত্রে রেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়ে থাকে। এই সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও সাধারণের কাছে স্বস্তিদায়ক।

রেল মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ১ এপ্রিল রেলে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, খাদ্যদ্রব্য বেশি রুটে পরিবহনের জন্য বলেছিলেন। যেহেতু করোনা ভাইরসের জেরে প্রায় সব বন্ধ রাখা হয়েছিল। তাই রেলপথ ছিল ভরসার জায়গা। আর সেই কারণে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের উপরে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্বেও প্রায় ৯ হাজার মালগাড়ি এই সময়ে চলাচল করেছে। রেল মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে বিশেষ পার্সেল ট্রেন ইতিমধ্যে আটটি রুটে চলাচল করছে। এছাড়া অতিরিক্ত আরও ২০ টি রুট যোগ করার পরিকল্পনা চলছে বলেও জানা গিয়েছে।

ইতিমধ্যে দেশ জুড়ে এই লক ডাউনের মাঝেও বিভিন্ন রাজ্য থেকে সংক্রমণের খবর সামনে এসেছে। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে খোলা হয়েছে ত্রান তহবিল। তা ছাড়া চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীরাও আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত সব থেকে বেশি আক্রমনের খবর কেরল এবং মহারাষ্ট্রে।