নয়াদিল্লি: ২১ দিনের লকডাউন জারি হওয়ার আগে থেকেই রেল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কেবলমাত্র মালবাহী গাড়ি যাতায়াত করছে সারা দেশে। হিসাব মত যদি ১৪ এপ্রিল লকডাউন শেষ হয়ে যায়, তাহলে কি হবে তারপর? একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যাবে রেল পরিষেবা?

আপাতত এই সব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে রেল কর্তারা। ইতিমধ্যেই পরিকল্পনা তৈরি করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। যদি রেল পরিষেবা একেবারে স্বাভাবিক করে দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে বহু যাত্রী একসঙ্গে যাতায়াত করার সম্ভাবনা তৈরি হবে, সম্ভবত সেই কথা মাথায় রেখেই তৈরি করছে ভারতীয় রেল।

যদিও ১৪ এপ্রিল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কি ঘোষণা করা হয় তার উপরেই সবটা নির্ভর করছে, তবু প্রাথমিকভাবে একটা পরিকল্পনা বাংলা রাখছে রেল। জোনাল রেলওয়ে গুলোকে বলা হয়েছে যাতে লকডাউন শেষ হয়ে যাওয়ার পর পরিষেবা চালুর কথা বলা হচ্ছে। ১৪ এপ্রিলের মধ্যে সে পরিকল্পনা জমা দিতে হবে রেলমন্ত্রী কে।

প্রাথমিকভাবে ২৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পরিষেবা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। পরে সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে বাকি নীতি নির্ধারণ করা হবে।

গত ২২ মার্চ রাত থেকেই গোটা দেশে রেল পরিষেবা স্থগিত হয়ে যায়। সূত্রের খবর ১৫ এপ্রিল থেকে দেশের সব রেল পরিষেবা শুরু করার কোনো নির্দেশ এখনো পর্যন্ত আসেনি।

আগামী দিনে কি করা যায় তা নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ।

এদিকে, ভারতের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। শুক্রবারই ২৬০০ পার হয়ে গিয়েছিল আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার সেই পরিসংখ্যান প্রায় ৩০০০ ছুঁই ছুঁই।

আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে, গুজরাত, ওডিশা, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু সহ একাধিক রাজ্যে। লাদাখেও নতুন করে দু’জনের শরীরে মিলেছে ভাইরাস।

গত এক সপ্তাহে সংখ্যাটা চোখে পড়ার মতই বেড়েছে। কিন্তু শুক্রবার একধাক্কায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ৪৭৮ জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।