নয়াদিল্লি: যতই উন্নয়নের চেষ্টা করুক রেল। সমীক্ষায় উঠে এল রেলের ভয়ঙ্কর রূপ। দেখা যাচ্ছে ক্রমশ নিরাপত্তা হারাচ্ছে রেল। ট্রেনে যাতায়াত ক্রমশ বিপজ্জনক হয়ে উঠছে যাত্রীদের কাছে। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো-র রিপোর্ট অনুযায়ী গত বছর রেলে স্টেশনে ও ট্রেনের মধ্যে খুনের সংখ্যা ৩৯২, ধষর্ণের সংখ্যা ১২২, অপহরণ ৪৪০, ডাকাতি ৮০, চুরি ২২,৪৭৭।
২০১৩ তে এই সংখ্যাগুলো ছিল এরকম- খুন ২৭০, ধর্ষণ ৫৪, ডাকাতি ৪৮। এই সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে যে সবথেকে বেশি অপরাধের ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গে, এরপর রয়েছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ। গত বছর পশ্চিমবঙ্গে রেল চত্বরে ধর্ষণের ঘটনা ৮৫ টি। ডাকাতির ঘটনা বেশি ঘটেছে মহারাষ্ট্রে। এরপর রয়েছে কর্ণাটক, দিল্লি। মহারাষ্ট্রে মোট ডাকাতির ঘটনা ৯৬ টি, চুরির ঘটনা ৪,৩২১।
রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভুর নেতৃত্বে ক্রমশ বাড়ানো হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তা সত্ত্বেও অপরাধের ঘটনা বেড়েই চলেছে। জিআরপি-র ভূমিকায় সন্তুষ্ট নয় যাত্রীরা। বহু অভিযোগ জমা পড়ে রেল পুলিশের বিরুদ্ধে। এমন ঘটনাও হয়ে থাকে যে অভিযোগ জানাতে পারে না যাত্রীরা। এছাড়া অনেক সময় ভিনরাজ্যে গিয়ে অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে নানা বাধা-বিপত্তি তৈরি হয়।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।