স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নতুন বছরের শুরুতেই রেল অবরোধ পলতা স্টেশনে৷ ট্রেন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যুর প্রতিবাদে স্থানীয়দের বিক্ষোভে অবরুদ্ধ রেল চলাচল৷ বন্ধ শিয়ালদহ মেনের নৈহাটি শাখার ট্রেন পরিষেবা৷ সপ্তাহের শুরুতে চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা৷

আরও পড়ুন-আকাশপথে বিদেশ ঘুরুন মাত্র ৩ হাজার টাকায়

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সিগন্যাল পোস্ট দূরে সরানোর দাবি জানিয়ে শিয়ালদা মেন শাখার ব্যারাকপুর শঙ্খ বণিক কলোনীর কাছে রেল অবরোধ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ শিয়ালদা রানাঘাট শাখায় আপ ও ডাউন উভয় লাইনে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ ছিল ট্রেন চলাচল৷

বছরের প্রথম দুপুরে ডাউন শিয়ালদহ লোকাল যখন পলতা রেল স্টেশন ছেড়ে ব্যারাকপুরের দিকে যাচ্ছিল,  সেই সময় ট্রেনের ঝাঁকুনিতে গেটে দাঁড়িয়ে থাকা এক যুবক দুই নম্বর ট্রেন লাইন সংলগ্ন সিগন্যাল পোস্টে বাড়ি খেয়ে লাইনের উপর পড়ে যায়৷ ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়৷ এই ঘটনার জেরে রেল অবরোধ করে স্থানীয় বাসিন্দারা৷

স্থানীয়দের দাবি,  ২০১৭ সালে এই সিগন্যাল পোস্টে ধাক্কা খেয়ে মারা গিয়েছিল অন্তত ৩০ জন নিত্যযাত্রী৷ বহুবার রেল কর্মীদের বললেও রেলের ওই সিগন্যাল পোস্ট নির্দিষ্ট দূরে সরায়নি রেল৷ ২০১৮ সালের প্রথম দিনও ফের একই ঘটনা ঘটল এই এলাকায়৷ ব্যারাকপুরের ১৬ এবং ১৭ নম্বর রেল গেটের মাঝে রয়েছে ওই সিগন্যাল পোস্টটি৷ দীর্ঘক্ষণ মৃতদেহ লাইনের উপর আটকে রেখে অবরোধ করে নিত্যযাত্রীরা৷

এই অবরোধের জেরে আটকে পড়ে শিয়ালদহ রানাঘাট শাখার আপ ও ডাউন লাইনের একাধিক ট্রেন৷ দুপুর দুটো থেকে তিনটে পর্যন্ত একঘণ্টা বন্ধ থাকে শিয়ালদহ আপ ও ডাউন শাখার ট্রেন চলাচল৷ পরে রেলকর্মীরা মৃতদেহ উদ্ধার করতে এসে অবরোধকারীরা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন৷ ওই সিগন্যাল পোস্টটি নির্দিষ্ট দূরত্বে সরানোর বিষয়টি নিয়ে পূর্বরেল কর্তারা আলোচনা হবে বলেও জানানো হবে৷ এরপর দুপুর ৩টে নাগাদ অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয় বাসিন্দারা৷

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.