রায়গঞ্জ: মারণ ভাইরাস করোনার বিরুদ্ধে লড়ছে গোটা দেশ। ঘরবন্দি থেকে মারণ ভাইরাসের চেন ভাঙার কাজ করে চলেছে সমাজ। তবে লকডাউনে ঘোরতর সমস্যায় পড়েছেন একশ্রেণির মানুষজন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে জীবনদায়ী বহু ওষুধও তাঁরা সংগ্রহ করতে পারছেন না। এবার সেই ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রায়গঞ্জের এক যুবক। সোশাল মিডিয়ায় গ্রুপ তৈরি করে এই পরিষেবা দিয়ে চলেছেন তিনি।

সোসাল মিডিয়ায় গ্রুপ তৈরি করে অসুথ রোগীদের বাড়ি-বাড়ি বাইরে থেকে ওষুধ আনিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন রায়গঞ্জের এক যুবক। লকডাউনের মধ্যেও প্রাণদায়ী ওষুধ বাড়িতে বসে পেয়ে যাচ্ছেন রোগীরা, একদম নায্যদামে। যেসব প্রাণদায়ী ওষুধ রায়গঞ্জ বা মালদহে পাওয়া যায় না, মূলত সেসব ওষুধ রোগীদের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন কৌশিক চক্রবর্তী নামের ওই যুবক।

একসঙ্গে মালদদ, রায়গঞ্জ এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে এই পরিষেবা দিয়ে চলেছেন তিনি। বন্ধুদের নিয়ে টিম তৈরি করে এই কাজ করে চলেছেন। ক্যানসার, কিডনির সমস্যায় যারা ভুগছেন এমন মানুষজনকে লকডাউনের সময় তাদের ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি । জরুরি জিনিষ নিয়ে যেসব ট্রাক এখন দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গে যাতায়াত করছে, সেই ট্রাকগুলোয় বা কখনও আম্বুল্যান্সকে ভরসা করে ওষুধ আনাচ্ছেন তিনি।

শুরুটা হয়েছিল কিডনি প্রতিস্থাপন করা এক আত্মীয়ের ওষুধের ব্যবস্থা করতে গিয়ে। পরে তিনজেলা – মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে মুমূর্ষ রোগীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তিনি। গত বছর তাঁর আট বছরের মেয়ে নিজের চুল কেটে ক্যানসার রোগীদের দেওয়ায় উত্তরবঙ্গে বেশ হইচই হয়েছিল।

সেই সূত্রে তাঁর নাম জানতেন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। তাই লকডাউনের সময় ওষুধ সংগ্রহ করতে সরকারি ‘পাশ’ জোগার করতে বেগ পেতে হয়নি।

এই কাজে সাফল্য মেলায় ফেসবুকেই তিনি একটি গ্রুপ তৈরি করেন । সেখানে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় কার কী ওষুধ লাগবে তা জানতে চান । তারপর কলকাতা থেকে আনাতে হবে এরকম ওষুধের তালিকা তৈরি করা হয় । এই ওষুধগুলো কলকাতা থেকে আনানোর ব্যবস্থা করেন ওই যুবক। তারপর কখনও কারও বাইকে চেপে বা অ্যাম্বুল্যান্সে করে তা পৌঁছে দিচ্ছেন যথাযথ জায়গায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।